এই আইপিএলে আর কোনও সমীকরণ বাকি নেই কেকেআরের জন্য। প্লে-অফের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবু মর্যাদা বাঁচানোর শেষ সুযোগ তাদের সামনে—সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আজ রবিবারের ম্যাচে জয় ছাড়া আর কিছু ভাবছে না নাইট শিবির। শেষ ম্যাচ জিতে অন্তত একটা ইতিবাচক বার্তা দিয়ে মরশুম শেষ করতে চায় তারা। দলের সিনিয়রদের মুখে ফুটে উঠেছে আত্মসমীক্ষা, দায়বদ্ধতা এবং প্রতিশ্রুতির মিশেল।
ভেঙ্কটেশ আইয়ার স্পষ্টভাবে বললেন, “ভাগ্য অনেক সময় আমাদের পক্ষে ছিল না, কিন্তু সেটা অজুহাত হতে পারে না। আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আগামী বছর আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরব।” একইসুরে গলা মিলিয়েছেন আন্দ্রে রাসেলও। তিনি মানছেন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু ম্যাচে ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল দল, যার খেসারত দিতে হয়েছে লিগ তালিকায়। “ক্রিকেটে ওঠানামা থাকবেই। তবে ইতিবাচক থেকে আরও ভালোভাবে কামব্যাক করব,” বলেন ক্যারিবিয়ান তারকা।
রাসেল ও ভেঙ্কটেশ বারবার তুলে ধরেছেন কেকেআর-সমর্থকদের ভূমিকা। রাসেল বলেন, “ওঁরা সবসময় পাশে ছিলেন। জয় হোক বা হার—ভালোবাসা একই রকম থেকেছে। শুধু বলব, ভরসা রাখুন, আমরা ফিরব।” ভেঙ্কটেশও বলেন, “নিজে হয়তো প্রত্যাশা মতো পারফর্ম করতে পারিনি, তবে সবাই ১০০% দিয়ে চেষ্টা করেছে। শেষ ম্যাচটা জিততে চাই শুধুই আমাদের সমর্থকদের জন্য।”
আইপিএলের টানা ব্যর্থতায় দল ভেঙে পড়েনি—এটাও স্পষ্ট তাঁদের কথায়। কোচিং স্টাফ ও দলের একতা নিয়েও আশ্বস্ত করেছেন খেলোয়াড়েরা। নাইট শিবির এখন শুধু মরশুমের শেষ ম্যাচ জিতে কিছুটা সম্মান ফেরাতে মরিয়া।
অন্যদিকে, আইপিএলের প্লে-অফ পর্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ফিরতে পারেন জশ হ্যাজেলউড। যা আরসিবির জন্য স্বস্তির খবর হলেও কেকেআরের কাছে তা শুধুই বাইরের আলোচনা। নাইট ব্রিগেড এখন নিজেদের গল্প শেষ করার জন্য শেষ দৃশ্যটা জয় দিয়েই লিখতে চায়।







