দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের পর এখন সেই মামলা পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। এই প্রক্রিয়ায় রাজ্য সরকার দামী আইনজীবীদের নিযুক্ত করে বিপুল পরিমাণে ব্যয় করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবু সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য।
এই প্রেক্ষাপটেই কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, যদি রাজ্য সরকার আলোচনার পথে এগোতো, তাহলে অনেক খরচ ও সময় বাঁচানো যেত। মলয়বাবুর কথায়, “আমরা রাজ্যকে বাস্তবসম্মত সমাধানের রাস্তা দেখাতে প্রস্তুত ছিলাম। কীভাবে ধাপে ধাপে টাকা দেওয়া যায়, তা নিয়েও আমাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব ছিল। কিন্তু সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, কর্মরতদের ক্ষেত্রে প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ স্থানান্তরের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্তদের জন্য পেনশনের সঙ্গে ১২টি কিস্তিতে বকেয়া মেটানোর মতো প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সরকার সেই প্রস্তাবে গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং সুপ্রিম কোর্টে রায়ের ব্যাখ্যা চেয়ে সময় নষ্ট করে। মলয়বাবুর অভিযোগ, সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে, যার ফলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে এবং রাজ্য কোষাগারের ওপর চাপও বেড়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকারকে অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া DA ৬ সপ্তাহের মধ্যে মেটাতে হবে। অর্থাৎ, ২৭ জুনের মধ্যে সেই অর্থ দেওয়া বাধ্যতামূলক।







