ঐতিহাসিক লর্ডসের মাঠে ভারত বনাম ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। প্রশ্নের মুখে আম্পায়ারিং। ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা সৈকত ও অস্ট্রেলিয়ার পল রেইফেল। যদিও সৈকতের সিদ্ধান্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সঠিক ছিল, কিন্তু মূল বিতর্ক ঘনীভূত হয়েছে পল রেইফেলকে কেন্দ্র করে।
ভারতীয় শিবিরের দাবি, আম্পায়ারের পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা। একাধিকবার ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের আউট না দেওয়ায়, বাধ্য হয়ে রিভিউ নিতে হয় অধিনায়ক শুভমান গিলকে— কিন্তু প্রত্যেকবারই ‘আম্পায়ার্স কল’ এ রেহাই পেয়ে যান ইংরেজ ব্যাটাররা।
রাগ দমন করতে না পেরে মুখ খুলেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর অভিযোগ,
“আমরা যখন বোলিং করি, কিছুই আউট হয় না। আর ব্যাটিংয়ের সময় সব বলই আউট হয়ে যায়! এটা কি ন্যায্য?”
এই বিতর্কে যোগ দিয়েছেন অনিল কুম্বলেও। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও। DRS-এ ‘আউট’ হওয়ার মতো প্রমাণ থাকলেও, শুধুমাত্র আম্পায়ার্স কলে রিভার্স না হওয়ায় বেঁচে যাচ্ছেন ব্যাটাররা।
ভারতীয় সমর্থকদের একাংশও প্রশ্ন তুলছেন— “এটা কি সত্যিই ক্রিকেটের স্পিরিট?”
তাঁদের মতে, মাঠে খেলা নয়, সিদ্ধান্তেই বদলে যাচ্ছে ম্যাচের গতিপথ!
এই বিতর্কের শেষ কোথায়? টেস্ট ম্যাচে এমন পক্ষপাতদুষ্ট আম্পায়ারিং কি বরদাস্ত করা উচিত?
আপনার মতামত জানান কমেন্টে







