কখনও ঝড়ো আক্রমণ, কখনও নিখুঁত সমন্বয়— ডুরান্ড কাপে মোহনবাগান যেন ফিরে পেল নিজেদের পুরনো ছন্দ। বিএসএফ-কে ৪-০ গোলে উড়িয়ে শুধু জয় নয়, তারা জানিয়ে দিল ডায়মন্ড হারবারের দেওয়া ৮ গোলের জবাবও প্রস্তুত। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের হয়ে জোড়া গোল করে নজর কাড়লেন লিস্টন কোলাসো, যিনি এই ম্যাচে ছিলেন ধ্বংসাত্মক সত্তার প্রতিচ্ছবি।
তবে শুরুটা কিন্তু ছিল থমথমে। প্রথম দুই মিনিটেই মোহনবাগানের ভুলে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বিএসএফ। কিন্তু কিশোরীর ব্যর্থতায় রক্ষা পান বিশাল কায়েথ। সেই সময় কিশোরভারতীতে বসে থাকা সমর্থকদের মনে পড়ে গিয়েছিল বহু পুরনো ‘অঘটন’-এর স্মৃতি। কিন্তু ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে মোহনবাগান। ২৪ মিনিটে মনবীরের হেডে ম্যাচে প্রথম গোল আসে।
দ্বিতীয়ার্ধে নামতেই বদলে যায় মোহনবাগান। লিস্টনের ১০ মিনিটের ঝড়ে বিধ্বস্ত বিএসএফ রক্ষণ। দু’টি গোলই নিখুঁত ফুটবল সেন্স এবং দৃষ্টিনন্দন স্কিলে মোড়া। সাহাল সামাদও অবদান রাখেন একাধিক আক্রমণে। তাঁর প্রচেষ্টায় আসে চতুর্থ গোলটি, যেখানে লাইন্সম্যানের সিদ্ধান্ত মোহনবাগানকে দেয় স্বস্তি।
৭৮ মিনিটে লিস্টনের হ্যাটট্রিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, তিনি সাহালকে পাস দিতে গিয়ে সুযোগ হারান। তবুও দলের হয়ে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। এবার তাদের লক্ষ্য গ্রুপ শীর্ষে উঠে ডায়মন্ড হারবারকে টপকে যাওয়া। সেই ম্যাচেই হয়তো ঠিক হবে কলকাতা ফুটবলে নতুন যুগের নেতা কে।







