আগামী ৯ অগস্ট আরজি কর কাণ্ডের এক বছর পূর্তি। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তার এবং অন্যান্য আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচি শুরু হবে ৮ অগস্ট থেকে, আর ৯ অগস্টে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের নেতৃত্বে হবে নবান্ন অভিযান। তবে আন্দোলন ঠেকাতে প্রশাসনের তৎপরতার অভিযোগ তুলেছেন নির্যাতিতার পরিবার।
বুধবার দিল্লি রওনা দেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সেখানে তাঁদের সিবিআই ডিরেক্টর এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা। দিল্লি যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। অভিযোগ, আন্দোলন ব্যাহত করতে নানা কৌশল নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু তাঁদের স্পষ্ট বার্তা— মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন কোনও শক্তিই আটকাতে পারবে না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “প্রথম দিন থেকেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। তাই ১৪ তলা থেকে নামানোর প্রতীকী লক্ষ্য নিয়েই নবান্ন অভিযান হবে।” তাঁর আরও অভিযোগ, “ভয় দেখিয়ে, টাকা দিয়ে, ভোট কিনে ক্ষমতায় থাকা ছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর আর কোনও উদ্দেশ্য নেই।”
তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতপক্ষে মানুষের মুখ্যমন্ত্রী নন, বরং দলীয় স্বার্থের প্রতিনিধি। “মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করলে প্রশাসনকে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করতেন না,” বলেন তিনি। তাঁর হুঁশিয়ারি— আন্দোলন দমন করার চেষ্টা যত বাড়বে, ততই সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তীব্র হবে।







