ফের এস এস সি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার ও স্কুল সার্ভিস কমিশন। এবার সেই মামলায় বড়ো নির্দেশ দেশের শীর্ষ আদালতের। আগামী ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা তৈরির নির্দেশ। তবে সেই তালিকা স্বচ্ছ না হলে হস্তক্ষেপ করবে আদালত।
সম্প্রতি শীর্ষ আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার মানুষ। গত ১৯ অগস্ট নিয়োগ বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে যে সমস্ত রিভিউ পিটিশন করা হয়েছিল। তবে তা বাতিল করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এরই মধ্যে সেই রায়
ধাক্কা খেয়েছিল শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী থেকে শুরু করে রাজ্য সরকার সকলে।বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও সতীশ চন্দ্র বেঞ্চে চলে শুনানি।
সেই শুনানি চলাকালীন মামলাকারীদের সওয়ালে জানানো হয় এখনও অযোগ্যদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে। যেটা শোনার পর তীব্র তিরস্কার করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি। এরপরেই তার মুখে শোনা যায় বড় নির্দেশ। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিশনকে প্রকাশ করতে হবে অযোগ্যদের তালিকা। তবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা হবে। আদালতের নতুন নির্দেশের জন্য ২ তারিখ পর্যন্ত যোগ্যরা পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তারপরেই পাওয়া যাবে এই পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড।
এ প্রসঙ্গে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “সুপ্রিম কোর্ট আগেই এই কথা বলেছিল। তবে তৃণমূল সরকার করবে না। আজ সুপ্রিম কোর্ট সাতদিনের সময় সীমা দিয়েছে। তবে আমি আপনাদের বলতে পারি ওরা এখনও সততার সঙ্গে সেই লিস্ট পাবলিশড করবে না। কারণ, ওরা জানে যাঁদের থেকে টাকা নিয়েছে তাঁদের নাম বেরিয়ে এলে বিপদ। তাই কোনও কাজই সততার সঙ্গে করবে না।”
এ প্রসঙ্গে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “পরীক্ষা যেমন হওয়ার তেমন হবে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে সাত দিনের মধ্যে অযোগ্যদের লিস্ট পাবলিশড করে দিতে হবে। কারণ এরা কেউ পরীক্ষায় বসতে পারবে না।”







