ফের চড়ছে পদ্ম পাড়ে রাজনৈতিক তরজা। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদন্ডের রায় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই পুরো বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে কড়া বার্তা শোনা গেল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের আধিকারিকদের গলায়।
সম্প্রতি বাংলাদেশের আদালত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির নির্দেশ শুনিয়েছে। যা নিয়ে গোটা বিশ্বজুড়ে শোরগোল পরে গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থাটি এক দীর্ঘ বিবৃতিতে জারি করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই-অগস্টের ছাত্র আন্দোলনের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া জরুরি। তবে হাসিনা ও কামালের বিচারে সেই স্বচ্ছ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়নি বলে মত অ্যামনেস্টির মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ডের।
এই আন্তর্জাতিক সংস্থার স্পষ্ট দাবি, অভিযোগের গুরুতরতা থাকা সত্ত্বেও যেসব প্রমাণের ভিত্তিতে সাজা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। পাশাপাশি এই সংস্থা প্রশ্ন তুলেছে আসামিদের অনুপস্থিতিতে দ্রুতগতির বিচার সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া নিয়ে। এই অতিরিক্ত তাড়াহুড়োর ফলে স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আদালত নিযুক্ত আইনজীবী শেখ হাসিনার পক্ষে উপস্থিত থাকলেও মামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তিনি পর্যাপ্ত সময় পাননি বলেও অ্যামনেস্টির অভিযোগ। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুমান এমন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় প্রমাণ মূল্যায়ন থেকে শুরু করে বিচারিক প্রক্রিয়াতে যে ধরনের স্বচ্ছতা প্রয়োজন ছিল তা এখানে দেখা যায়নি। যার ফলে এই নির্দেশ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।







