এসএসসি প্রকাশিত দাগি তালিকা ঘিরে তোলপাড় পূর্ব মেদিনীপুর। ওই তালিকায় উঠে এসেছে শাসকদলের একাধিক জনপ্রতিনিধির আত্মীয়ের নাম। ১৮০৪ জনের মধ্যে ৯৭৬ নম্বরে রয়েছেন ভগবানপুর-১ ব্লকের নির্বাচিত তৃণমূল জেলা পরিষদ সদস্য পলাশ কুমার বর্মন। অভিযোগ, তিনি শিক্ষক পদে যোগ দিয়েছিলেন অনিয়মের মাধ্যমে। জানা গিয়েছে, তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর কানপুর শ্রীগুরু শিক্ষা নিকেতনের ইতিহাস শিক্ষক ছিলেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি তিনি।
একই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন কোলাঘাট পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত ও পরিবহন কর্মাধক্ষ বকুল শেখর পাঁজার মেয়ে ও জামাই দু’জনেই। তাঁর মেয়ে মৌমিতা পাঁজা মন্ডল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর হাই স্কুলের শিক্ষিকা, আর জামাই ড. দিব্যেন্দু মন্ডল বর্তমানে কলকাতার উল্টোডাঙা হাই স্কুলে কর্মরত। এ নিয়ে বকুল শেখর পাঁজা দাবি করেছেন, “আমার মেয়ে-জামাই দু’জনেই যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছে। আমার জামাই তো ডক্টরেট। একেবারে শেষ মুহূর্তে বাবা-মায়ের ইচ্ছেতে চাকরি নেয়। এই তালিকা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
অন্যদিকে, ড. দিব্যেন্দু মন্ডল অভিযোগ তুলেছেন, দাগি তালিকায় নাম আসার পর থেকে তাঁর সম্মানহানি হয়েছে। তিনি জানান, এরই মধ্যে তিনবার RTI করেছেন এবং ২০২৩ সালের ২ আগস্ট কলকাতা হাই কোর্টে দুটি মামলা ও ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা করেছেন এসএসসি-র বিরুদ্ধে। তবে এখনও তাতে কোনো সুরাহা হয়নি।
এসএসসি-র এই দাগি তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।







