বিধানসভায় ভাঙচুর, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং মার্শালদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি বিধায়ক। তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করলেও, শেষ পর্যন্ত শাস্তি থেকে রেহাই দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে মঙ্গলবারের অধিবেশন ঘিরে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা।
গত ২৩ জুনের ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা, শান্তনু প্রামাণিক ও শিখা চট্টোপাধ্যায় সহ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে বিধানসভার ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরি, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা ও মার্শালদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর তাদের সাময়িক সাসপেন্ডও করা হয়েছিল। তবে এদিন স্পিকার স্পষ্ট জানান, “তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলেও কঠোর শাস্তি দিইনি। শুধু ভবিষ্যতের জন্য কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।”
যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, একই দিনে শব্দদূষণ প্রসঙ্গেও কড়া বার্তা দেন স্পিকার। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন তিনি মন্তব্য করেন, “পরীক্ষার সময়ে মাইকের শব্দে ছাত্রছাত্রীদের অসুবিধা হয়। আমাকেও বহুবার ফোনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। আমি ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে।”
একদিকে বিরোধী শিবিরের বিধায়কদের শাস্তি মুকুব, অন্যদিকে শব্দদূষণ নিয়ে স্পিকারের কড়া সুর—সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের অধিবেশনে জমে ওঠে রাজনৈতিক রং।







