আজ বিকেলে ঘোষিত হবে সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ী। তার আগেই শুরু হয়ে গেছে আলোচনা ও ভবিষ্যদ্বাণী। পাঠক, বই বিক্রেতা, সম্পাদক থেকে শুরু করে লেখক ও সাহিত্য সমালোচকরা এখন জোরালো কল্পনা করছেন—কার হাতেই উঠবে বিশ্বের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান?
বিভিন্ন বুকমেকারের তথ্য মিলিয়ে তৈরি নাইসারঅডসের তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছেন বাঙালি সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষ। তারপরে আছেন জাপানের জনপ্রিয় লেখক হারুকি মুরাকামি, ব্রিটিশ-আমেরিকান সলমন রুশদি, কানাডার কবি অ্যান কারসন, এবং অ্যান্টিগার জন্ম হওয়া লেখিকা জ্যামাইকা কিনকেইড। এছাড়াও তালিকার উপরের অংশে রয়েছেন মার্গারেট অ্যাটউড, লিউদমিলা উলিটস্কায়া, এবং এরসি সোতিরোপোলস।
অন্যদিকে ল্যাডব্রোকসের তালিকা অনুযায়ী এগিয়ে আছেন চীনের লেখিকা কান শুয়ে এবং হাঙ্গেরির লাসজলো ক্রাসনাহরকাই। তাঁদের পরেই রয়েছেন মেক্সিকোর ক্রিস্তিনা রিভেরা গারজা, স্পেনের এনরিক ভিলা-মাতাস, অস্ট্রেলিয়ার জেরাল্ড মার্নেন, রোমানিয়ার মিরচা কার্টারেস্কু, এবং মার্কিন লেখক থমাস পিনচন।
সাহিত্যের নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে ভাষা ও ভূগোলও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১০ সালের পর থেকে কোনো স্প্যানিশ ভাষার লেখক পুরস্কার পাননি। তাই এবছর স্প্যানিশ সাহিত্যও বিশেষ নজর পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, যদি অমিতাভ ঘোষ পুরস্কার জেতেন, তবে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ও বাঙালি সাহিত্যিক হবেন।
সুইডিশ একাডেমি জানিয়েছে, নোবেল পুরস্কারের মূল ভিত্তি সাহিত্যের মান। নির্বাচনী প্রক্রিয়া চালান ৬ সদস্যের জুরি, যার সভাপতি ৭৬ বছর বয়সি আন্ডার্স ওলসন। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এলেন ম্যাটসন, অ্যান সুয়ার্ড, স্টিভ সেম-স্যান্ডবার্গ, আন্না কারিন পাম, এবং সচিব ম্যাটস মালম।
প্রতি বছর জুন থেকে অগাস্ট পর্যন্ত মনোনীত লেখকদের কাজ যাচাই করে দেখা হয়। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত আলোচনা। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই জানা যাবে, কার হাতে উঠবে ২০২৫ সালের সাহিত্যের নোবেল।







