রাজ্যে ফের বালি পাচার মামলায় নেমে পড়েছে প্রবীণ তদন্ত সংস্থা ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম, আসানসোল, লালগড় ও গোপীবল্লভপুর-সহ প্রায় আটটি জায়গায় চলছে জোরদার তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকরা পৌঁছনোর সময়ও কয়েকটি খাদান এলাকায় বালি তোলা চলছিল।
ঝাড়গ্রামের লালগড়ের সিজুয়া এলাকায় ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বালি খাদানে টানা বালি তোলা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একের পর এক লরি সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, তবে কোনও মালিক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে গোপাল নামে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি, যদিও তাঁর পূর্ণ পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
অপরদিকে, আসানসোলের মুরগাসল এলাকায় বালি ব্যবসায়ী মনীস বাগারিয়ার বাড়িতেও হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে কলকাতার পোদ্দার কোর্ট এলাকার একটি অফিসেও তল্লাশি চলছে, যা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ। এর আগে বেহালার একটি কোম্পানি ও বিধাননগর সেক্টর ফাইভের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, বালি তোলার অনুমতি পত্র জাল করে একাংশ অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি ব্যবসা চালাচ্ছিল। এই জালিয়াতির মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকার লেনদেন ও মানি লন্ডারিংয়ের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে ইডি।
প্রসঙ্গত, কয়েক সপ্তাহ আগেই গোপীবল্লভপুরের শেখ জহিরুল আলির বাড়িতেও হানা দিয়েছিল ইডি। একসময় ভিলেজ পুলিশ হিসেবে কর্মরত জহিরুল পরে বালির ব্যবসায় নামেন, তাঁর নামে একাধিক খাদান রয়েছে।
ইডি সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে বালি পাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের জাল ছিন্ন করতে আগামী কয়েকদিন আরও অভিযান চালানো হতে পারে।







