১৪ ফেব্রুয়ারি নয় এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে আরো ১০ দিন সময় লাগবে বলে সূত্রের খবর। এই আবহে অশান্তির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হলো এসআইআরের শুনানি পর্ব। উত্তর দিনাজপুর , বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ বিভিন্ন জেলার একাধিক শুনানি কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে উত্তেজনার ছবি। বাংলার একাধিক জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয় শুনানি প্রক্রিয়া। বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , কোনো শুনানি কেন্দ্রে কোনরকম অশান্তির ঘটনা ঘটলে বা শুনানি কেন্দ্রে আসা ভোটাররা যদি নিরাপত্তাহিনতা বোধ করে তাহলে সেই কেন্দ্রে বন্ধ করে দেওয়া হবে শুনানি প্রক্রিয়া। যতক্ষণ পর্যন্ত না সেই কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে , ততক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শুনানি প্রক্রিয়া। সময়সীমা বাড়ানোর কারণে শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে তেমন তাড়া নেই নির্বাচন কমিশনের।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসে শুনানি প্রক্রিয়া করাতে হবে। এরপর শুনানি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে কার্যত রাজ্যের উপর চাপ দিল নির্বাচন কমিশন। এই নির্দেশ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “শুনানি নাহলে ভোট পিছিয়ে যাবে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে হবে। তৃণমূল সেটাই চাইছে।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি , বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখানোর জন্যই এই কাজ করানো হয়েছে।







