দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা এবার ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ নিতে চলেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে পালটা হামলার আবহে কার্যত ‘সরাসরি যুদ্ধের’ হুঁশিয়ারি দিল Pakistan। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন — “আমাদের ধৈর্যের সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। এখন সরাসরি যুদ্ধ হবে।”
এদিকে সংঘাত নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি Taliban শাসিত Afghanistan সরকার। তবে পরিস্থিতি ক্রমশই বিস্ফোরক হয়ে উঠছে।
হামলা–পালটা হামলায় রণক্ষেত্র সীমান্ত
সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী পোস্টকে নিশানা করে হামলা চালায়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পালটা এয়ার স্ট্রাইক চালায় পাকিস্তান — সরাসরি আফগান রাজধানী Kabul-সহ একাধিক এলাকায়।
দু’দেশই দাবি করেছে — তারা শুধুমাত্র ‘প্রত্যুত্তর’ দিয়েছে।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি অনুযায়ী:
চার ঘণ্টার অভিযানে নিহত ৫৫ জন পাকিস্তানি জওয়ান
ধ্বংস করা হয়েছে ১৯টি সামরিক পোস্ট
গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২টি সেনা ছাউনি
বন্দী করা হয়েছে কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা
আফগানিস্তানের ক্ষয়ক্ষতি: ৮ জন নিহত, ১১ জন আহত
ইসলামাবাদের পালটা দাবি
যদিও এই দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে Islamabad।
Shehbaz Sharif সরকারের মুখপাত্রের বক্তব্য:
কোনও পাকিস্তানি সেনা বন্দী হয়নি
পাকিস্তানের এয়ার স্ট্রাইকে নিহত ১৩৩ জন তালিবান যোদ্ধা
আহত ২০০-র বেশি
আটক ৯ জন
ধ্বংস ২৭টি আফগান সামরিক পোস্ট
পাকিস্তানের দাবি — কাবুল ছাড়াও পাক্তিয়া ও কান্দাহারেও বড়সড় হামলা চালানো হয়েছে।
সংঘাতের নেপথ্যে কী?
কাবুলের অভিযোগ, গত রবিবার সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের ‘অযৌক্তিক’ এয়ার স্ট্রাইকের জবাব দিতেই এই হামলা।
অর্থাৎ, বহুদিন ধরে চলা সীমান্ত উত্তেজনা এবার সরাসরি সামরিক সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে।
যুদ্ধের মুখে উপমহাদেশ?
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা হয়নি, তবে সীমান্তে কার্যত যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।
এখন নজর — কাবুলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার দিকে।







