অফবিট

আপনিও কি ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগছে?এই পাতা খেলে দুর হবে , জেনে নিন এক্ষুনি

সে এক কাল ছিল যখন পানের বাটা ছিল বাড়ির ঐতিহ্য। ডাবর,পান চেছি, পান দানি, মসলা বাটি, যাতি ইত্যাদি থাকতো প্রত্যেকের বাড়িতে। সে সময় ঘরে ঘরে থাকত পানের বাটা। তাতে পান, সুপুরি, মৌড়ি, এলাচ, লবঙ্গ, জর্দা, চুন। দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর পানের বাটা নিয়ে বসতেন মা-ঠাকুমারা। বানাতেন পান। হাসি-খোস গল্পের সঙ্গে চলত পান খাওয়া।

ইদানীং পান খাওয়ার রেওয়াজ প্রায় উঠেই গিয়েছে। তবে বিয়ে, পৈতে, অন্নপ্রাশনের মতো শুভ অনুষ্ঠানে আজও খাওয়াদাওয়ার শেষে পান দেওয়ার চল রয়েছে।

এটাই ভারতীয় পরম্পরা। পান চিবোলেই ভিতরের মশলা ছড়িয়ে পড়ে জিভে। এক ধরণের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে গোটা শরীরে।
মূলত নেশাদ্রব্য হিসেবেই পান খাওয়া হয়। তবে এর অনেক উপকারও রয়েছে।
পান পাতায় অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এমনটাই বলছেন, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক অনিল রাই। গত ৩০ বছর ধরে আয়ুর্বেদ নিয়ে কাজ করছেন তিনি। অনিল বলছেন, নিয়মিত পান খেলে হজমশক্তি বাড়ে। পেটের অবস্থার উন্নতি হয়।নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে। পাশাপাশি শুষ্ক মুখের সমস্যা যেমন ঘা, মাড়ির রোগ এবং মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও দারুণ কার্যকরী।
টক্সিনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রদান করে। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে পানকে বিষাক্ত উপাদানগুলির বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক সুরক্ষাকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার রয়েছে, যা সামগ্রিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজন। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক, সব বয়সের মানুষই পান পাতা খেতে পারেন। মাড়ির ক্ষত থেকে মুখের রোগের চিকিৎসায় এর ব্যবহার করা হয়।শুধু মুখের রোগ নয়, ডায়াবেটিস রোগীদের পান পাতা ধোয়া জল পানের পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। মেটাবলিক সিস্টেমের জন্যও এর জুড়ি নেই। খাবার ভাল ও দ্রুত হজম হয়।
আবার পান পাতার প্রদাহবিরোধী গুণ রয়েছে। ফলে গলা ফোলা এবং সংক্রমণের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়। গলায় শ্লেষ্মা ও কফ জমলে পান পাতার জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আয়ুর্বেদে। এতে আরাম পাওয়া যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.