এবার চিরাচরিত প্রথাকে পেছনে রেখে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে থিমের ছোঁয়ায় সরস্বতী পুজো করছে শান্তিপুর বাবলা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মোল্লাদের বাঘাযতীন বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীরা। বিগত দুবছর ধরে চিরাচরিত নিয়মকে পেছনে ফেলে একেবারে থিমের ছোঁয়ায় নতুন ভাবনাকে এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা সরস্বতী বন্দনায় মেতে উঠেছে বিদ্যালয়ে।
আর সেই থিম দেখতে অগণিত মানুষের ঢল নেমেছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। এ বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের দাবি দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে তারা বিদ্যালয়ের এই শাশ্বত উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রকম পরিকল্পনার পর গ্রাম্য পরিবেশকে মান্যতা দিয়ে থিমের ছোঁয়ায় এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অভাবনীয় থিম তৈরি করে ফেলেছে। থাকছে বিশেষ আলোর ব্যবস্থা দিনরাত এক করে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ছাত্রদেরকে উৎসাহিত করে এবং তাদের সহযোগিতা করে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে ।যদিও বাঘাযতীন বিদ্যাপীঠে এতদিন ছিলনা বাঘা যতীনের মূর্তি এ বছর সেই মূর্তিও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যাতে করে বিদ্যালয়ের আরো গৌরব বেড়েছে বলে মনে করছেন বর্তমান থেকে প্রাক্তনীরা
যদিও গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয় গুলিতে ওয়াল ম্যাগাজিনের সেভাবে প্রচলন না থাকলেও বাঘাযতীন বিদ্যাপীঠ শুরু করা হয়েছে ওয়াল ম্যাগাজিনেডো যেখানে বিভিন্ন রকম লেখা তুলে ধরা হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম দেয়া হয়েছে সৃজনী তবে এই পুজোকে কেন্দ্র করে শুধু বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নয়, শান্তিপুর ব্লকের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা এবং আশেপাশের এলাকার প্রচুর মানুষ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে জড়ো হয় বলেই দাবি বিদ্যালয়ের শিক্ষক দের ।এবছর দুদিন সরস্বতী পুজো পড়ায় সাধারণ মানুষ আরো বেশি করে দেবী মূর্তি দর্শন করতে আসবেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি করা এই অভাবনীয় থিম দেখতে আসবেন এবং এই শাশ্বত উৎসব যে মিলন উৎসবে পরিণত হবে তার বলার অপেক্ষায় রাখেনা ।যদিও বিদ্যালয়ের সরস্বতী পুজোতে থিমের ছোঁয়ায় সাধারণ মানুষকে নতুন চমক বাঘাযতীন বিদ্যাপীঠ দিলেও পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়ের পূজোর পরিকাঠামো দেখে হয়তোবা অন্যান্য বিদ্যালয়েও এবার থিম নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন বলে মনে করছে শিক্ষক শিক্ষিকারা।







