সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মালদার আহ্লাদমনি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নেমে এল শোকের ছায়া। চাকরি হারালেন স্কুলের চার জন শিক্ষিকা। রায় শোনার পর স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্রীদের মধ্যেও নেমে আসে বিষণ্ণতার ছায়া। চোখের জলে ভাসতে থাকে স্কুল চত্বর।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুস্মিতা দাস জানান, ২০১৯ সালে তিনজন শিক্ষিকা স্কুলে যোগ দেন। ২০২১ সালে অন্য স্কুল থেকে বদলি হয়ে আসেন আরও একজন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চারজনেরই চাকরি বাতিল হয়ে গেল। এই চার জন শিক্ষিকাই মালদার বাসিন্দা।
সুস্মিতা দেবী বলেন, “এই চারজন শিক্ষিকা স্কুলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। তাঁদের ছাড়া স্কুল চালানো কঠিন হবে। আমরা সবাই খুব মর্মাহত।”
চাকরি হারানো শিক্ষিকাদের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে, স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানান, তাঁরা সবাই খুব ভেঙে পড়েছেন। ছাত্রীরাও তাঁদের প্রিয় দিদিমণিদের চাকরি হারানোর খবরে চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি।
স্কুলের এক ছাত্রী বলে, “দিদিমনিরা আমাদের খুব ভালোবাসতেন। তাঁরা খুব ভালো পড়াতেন। তাঁদের ছাড়া আমরা কী করে পড়াশোনা করব?”
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সুস্মিতা দাস জানান, তাঁরা এই কঠিন সময়ে চাকরি হারানো শিক্ষিকাদের পাশে আছেন। স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারাও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।







