সৎ-ছেলের সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েই মেডিক্যাল লাইসেন্স হারা হলেন ফ্লোরিডার স্বাস্থ্য বিভাগের নার্স। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ১৫ বছরের সৎ ছেলের সঙ্গে বহু দিন যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল অ্যালেক্সিস ভন ইয়টস নামক ওই মহিলা।
এরপরে মহিলার স্বামী একদিন হাতে ধরা পড়লেন একদিন। জানা গিয়েছে, ঘটনা শুরু হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাস নাগাদ। ওই সময় মহিলার স্বামী গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে ওকালাতে গিয়েছিল। ওই সময় অ্যালেক্সিস এবং তাঁর ১৫ বছর বয়সী সৎ ছেলেই বাড়িতে ছিল।
ওই সময়ে সৎ ছেলেকে অ্যালেক্সিস জানায়, তিনি যৌনকষ্টে ভুগছেন। দুই সপ্তাহ ধরে সহবাস না হওয়ায় তিনি উত্তেজিত। এরপর তিনি সৎ ছেলের সঙ্গে সোফায় । এরপর তিনি নাবালককে নানান ভাবে প্রলুব্ধ করে, তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ হন। সৎ ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তিনি দিনের পর দিন নাবালক সৎ ছেলের উপরে যৌন নির্যাতন চালায়। এরপর একদিন ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছেলের সঙ্গে স্ত্রীকে ধরে ফেলেন স্বামী। তখন নাবালক ছেলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে ছেলের সম্বন্ধে তাঁর বাবার কাছে উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকেন।
অ্যালেক্সিস জানায়, তাঁর ছেলে জোর করে তাঁর জবরদস্তি করেছে। এরপর বিষয়টি খতিয়ে দেখেন ও অ্যালেক্সিসের কুকীর্তি ধরে ফেলে স্বামী মিস্টার ইয়টস। তারপর ছেলের সঙ্গে অশ্লীল আচরণের জেরে অ্যালেক্সিসকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছন। এই ঘৃণ কাণ্ডে ৩৫ বছর বয়সী অ্যালেক্সিসের মেডিক্যাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ এক আদেশে বলা হয়, “নার্সদের আস্থার প্রতীক। তাই, তাদের ভালো বিচারবুদ্ধি এবং ভালো নৈতিক চরিত্র প্রদর্শন করা অত্যন্ত জরুরি। ইয়েটসের একটি নাবালক শিশুর সঙ্গে কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দেয় যে, একজন নিবন্ধিত নার্স হওয়ার জন্য তাঁর ভালো বিচারবুদ্ধি এবং নৈতিক চরিত্রের অভাব রয়েছে।”







