সাত মাস আগেও বিভাজন আর গোঁয়ার্তুমিতে কোণঠাসা ছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। কিন্তু সময় বদলেছে। মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে ফের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্র রাজনীতিতে বামেদের দাপট ফিরে এল। নভেম্বরের নির্বাচনে মূল চারটি পদেই জয়ী হল বাম ছাত্রজোট— আইসা, এসএফআই ও ডিএসএফ।
সভাপতি পদে আইসার অদিতি মিশ্র, সহ-সভাপতি পদে এসএফআইয়ের কে গোপিকা, সাধারণ সম্পাদক পদে ডিএসএফের সুনীল যাদব ও যুগ্ম সম্পাদক পদে আইসার দানিশ আলি জয়ী হয়েছেন। এবারে ৯ হাজারেরও বেশি ভোটারের মধ্যে ৬৭ শতাংশ ভোট পড়ে। এবিভিপির রাজেশ্বর দুবে ও অনুজ দামারা সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক পদে শক্ত লড়াই দিলেও শেষ পর্যন্ত বাম প্রার্থীরাই এগিয়ে থাকেন।
এপ্রিলের নির্বাচনে পৃথকভাবে লড়ে এবিভিপিকে এগিয়ে দিয়েছিল বামেদের ভাঙন। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই এবারে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ে নামে বাম জোট। এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “এটা মতাদর্শের জয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা একসঙ্গে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”
যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, জেএনইউ ক্যাম্পাসের এই ফলাফল জাতীয় রাজনীতির প্রতিফলন নয়। ক্যাম্পাসে বামেদের প্রভাব ঐতিহ্যগত হলেও, পাঁচিলের বাইরে তাদের উপস্থিতি সীমিত। তবুও ছাত্র রাজনীতিতে এই ফলাফল নিঃসন্দেহে বামদের মনোবল বাড়িয়ে দিল।






