নতুন করে ভারতের ওপর আক্রমণের পর আমেরিকা ও পাকিস্তানের সক্রিয়তা নিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠছে আন্তর্জাতিক মহল। এমনকি দিল্লির এই বিস্ফোরণের পর ইঙ্গিত মার্কিন-পাক ঘনিষ্ঠতার। মূলত অপারেশন ‘সিঁদুর’-এর পরেই পাকিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নতুন সমীকরণ নজরে এসেছে কূটনৈতিক মহলের। এবার ১১ নভেম্বরের বিস্ফোরণের পর আমেরিকার মৌনতা দেখে সেই সন্দেহ আরো দৃঢ় হচ্ছে।
ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণের সঙ্গে এক জঙ্গি চিকিৎসক ডঃ উমর মহম্মদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপশি এই নাশকতার সঙ্গে জইশ-ই-মহম্মদের যোগ আছে বলে উল্লেখ করেছে তদন্তকারীরা। তবে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে আমেরিকার অবস্থান নিয়ে।
ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বিস্ফোরণের একদিন পর এই ঘটনা নিয়ে পোস্ট করেন। তবে সেখানে কোনোভাবেই উল্লেখ করা হয়নি ‘সন্ত্রাসবাদ’ শব্দটির। অথচ একই সময়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বিস্ফোরণের পর সেখানকার মার্কিন দূতাবাস দিনের দিন পোস্ট করে। তবে সেখানে এই সন্ত্রাসবাদ অথবা টেরোরিজম শব্দের উল্লেখ পাওয়া গেছে।
আমেরিকার এই পক্ষপাত দুষ্ট কার্যকলাপ দেখে নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির কূটনৈতিক মহল। বিশেষত যখন সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে তাঁর বিবৃতিতেও উল্লেখ ছিল না সন্ত্রাসবাদদের প্রসঙ্গ।
এদিকে ভারতের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের স্পষ্ট বার্তা সন্ত্রাসবাদীরা কোনো ভাবে ছাড়া পাবে না। ভুটানের এক অনুষ্ঠানে সেই বার্তাই স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
সব মিলিয়ে বলাই যায় দিল্লি বিস্ফোরণ শুধু দেশের নিরাপত্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠছে আগামী দিনে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে এগোচ্ছে।







