জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগে জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে কিছু পোস্টার পরেছিল। যা নিয়ে শোরগোল পরেছে চারিদিকে। মাত্র তিন সপ্তাহের তদন্তেই প্রকাশ্যে এলো বহু রাজ্যে ছড়ানো এক বড় জঙ্গি নেটওয়ার্ক। ১৯ শে অক্টোবর এই পোস্টার উদ্ধারের পর শোপিয়ান ও গান্ডেরবাল থেকে ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতার পর সামনে এলো চিকিৎসক-নেতৃত্বাধীন একটি স্লিপার সেল মডিউলের তথ্য।
৩০ শে অক্টোবর ফরিদাবাদের আল-ফালাহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক ডঃ মুজাম্মিল শাকিল গ্রেফতারের পর স্পষ্ট হয় এই নাশকতার নেটওয়ার্ক। যাদের পরিচালনায় একদল মেডিক্যাল কর্মকর্তা এই বিস্ফোরণের ছক কষেছিল। পরবর্তীতে সাহারানপুর থেকে আদিল রাথার ও লখনউ থেকে এক মহিলা চিকিৎসককে এরইমধ্যে শনাক্ত করেছে পুলিশ। ৭ থেকে ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত অনন্তনাগ, মেওয়াট ও ফরিদাবাদে লাগতার অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে একে-৫৬ রাইফেল, বিপুল গুলি,ও ২,৫৬৩ কেজি বিস্ফোরক। এমনকি এরই মধ্যে শুধু মুজাম্মিলের ভাড়া বাড়ি থেকেই মেলে ৩৬০ কেজি।
পাশাপশি প্রশাসনের তদন্তে উঠে এসেছে দিল্লি বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড উমর উন নবির নাম। জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা ও দিল্লির পুলিশের সমন্বিত অভিযানে রীতিমত ভেঙে দেওয়া হয়েছে জইশ-ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গি চক্র। এছাড়াও উঠে এসেছে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য। সময়মত এই অভিযান না হলে আরো বৃহৎ আকারে কোনো নাশকতা হওয়ার সম্ভবনা ছিল।






