বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সব কিছুরই মূল্য আকাশছোঁয়া। তবে স্বাধ করে একদিন বাইরে খেতে গেলেই চড়া দামে পকেট খালি হওয়ার জোগাড় হয়। তাই রেস্তোরাই খাওয়া নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য একটু কষ্টকরই বটে। তবে আবার সেই রেস্তোরাঁ যদি হয় কোন জনপ্রিয় তারকার, তাহলে তো সেই আকাশছোঁয়া দামে ছ্যাকা খাওয়ার জোগার নিম্নবিত্ত পরিবারের। এবার সাধ্যের মধ্যে সুস্বাদু খাবার দিয়ে স্বাদ পূরণ করতে এগিয়ে এলো দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী অরিজিৎ সিংহ।
সম্প্রতি যে কোন খাবার এবং একটু ভালো দোকানের খাবার হলেই তা সব সময় খাওয়া সম্ভব হয় না নিম্ন বদ্ধবিত্ত মানুষদের। এমনকি বর্তমান সময় অনেক তারকাই রেস্তোরা খুলেছে। তবে সেখানে খাবার খাওয়া দুষ্কর এই নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষদের। সেই ঝা চকচকে রেস্তোরাঁয় চাকচিক্য দেখেই অনেক সাধারণ মানুষ সেখানে ঢোকার সাহস করে না। তাই তাদের একটু স্বাদ বদলের খাবার খাওয়ার স্বাদটা অধরাই থেকে যায়। তাই এবার তাদের সাধ মেটাতে পদক্ষেপ নিল সংবেদনশীল ও জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিংহ। বহুবার তাঁর নিজের শহর জিয়াগঞ্জে কখনো হাসপাতাল গড়ে দেওয়া আবার কখনো খেলার মাঠ থেকে শুরু করে ইংলিশ শেখার ক্লাস সবকিছুতেই এগিয়ে এসেছেন সঙ্গীত শিল্পী।
সেই রেস্তোরাঁ নিজের হাতে সামলায় গায়কের জন্মদাতা গুরদয়াল সিংহ। এবার সেখানেই জিয়াগঞ্জের পলিটেকনিক স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য রাখা হয়েছে ৪০ টাকার থালি। পাশাপাশি এখানে রয়েছে স্পেশাল ভেজ থালি যার মূল্য ধার্য করা রয়েছে ৬০ টাকা। সেখানে থাকবে যেখানে ভাত-ডাল-ভাজা-দুরকমের তরকারি দেওয়া হবে। এছাড়াও অমলেট থালি রয়েছে ৯০টাকায়। পাশাপাশি সেখানে থাকবে দুটো ডিমের অমলেট। এই রেস্তোরাঁয় আলাদা করে ফিশ বা এগ কারিরও ব্যবস্থ রয়েছে। এমনকি সেখানে রয়েছে বিরিয়ানির মতো খাবার ১৫০ টাকায়। এই ধরনের দামে সাধারণ মানুষের সাধ পূরণ এগিয়ে আসায় ফের প্রশংসা পেয়েছেন গায়ক।







