ভারতীয় ক্রিকেট দলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অবদান নিয়ে যদি কথা বলতে হয়, তাহলে বোধহয় মুখের ভাষা শেষ হয়ে যাবে। একটা সময় টিম ইন্ডিয়া যখন গড়াপেটার কালো অন্ধকারে ক্রমশ ডুবে যাচ্ছিল, সেইসময় সচিনের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের অধিনায়ক হওয়ার কথা বলা বলেও তাঁরা রাজি হননি। অবশেষে সৌরভের কাঁধে এই দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল বিসিসিআই। তারপর তো বাকীটা ইতিহাস। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে একটা আলাদা অধ্যায় বলা যেতেই পারে। বেহালার এই ছেলেটার কাছে ক্রিকেটীয় যাত্রাপথ কিন্তু একেবারেই মসৃণ ছিল না।
তবে সৌরভের এই উত্থান তাঁর মায়ের কাছে একেবারেই নতুন কোনও বিষয় ছিল না। কারণ সৌরভের ছোটবেলা থেকেই তিনি জানতেন যে একদিন না একদিন ‘মহারাজ’ ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু, কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন তিনি? রবিবার (১০ ডিসেম্বর) দাদাগিরির মঞ্চে সেই অজানা গল্প ফাঁস করলেন সৌরভ নিজেই।
এই অনুষ্ঠানে অসীম দাস নামে একজন প্রতিযোগী খেলতে এসেছিলেন। কথাবার্তায় বোেঝা গেল সৌরভের তিনি পূর্ব-পরিচিত। আসলে অসীম দাস পেশায় একজন জ্যোতিষী। সৌরভের ছোটবেলায় তিনিই নিরূপা দেবীকে জানিয়ে ছিলেন যে সৌরভ একদিন না একদিন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হবেন। সৌরভ বললেন, ‘আমি তখন সবেমাত্র ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা শুরু করেছি। আর উনি আমার মা’কে বলেছিলেন যে আমি একদিন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক হব।’ সেদিন যে অসীমবাবু একেবারেই ভুল কথা বলেননি, সেটা আজ গোটা ক্রিকেট বিশ্বের কাছে প্রমাণিত।
যাইহোক আবারও দাদাগিরির কথায় ফিরে আসা যাক। এই অনুষ্ঠানে এসে অসীম দাস বললেন, ‘দুটো জিনিস একেবারে তৈরি করা যায় যায় না। এই বৈশিষ্ট্য মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবেই থাকে। একটা হিরো, আর অন্যটা লিডার। তুমি একজন জন্মগত অধিনায়ক।’ এরপর সৌরভ প্রশ্ন করেন যে বাকী জীবনে কী হবে? জবাবে ওই জ্যোতিষী বলেন, ‘তুমি শেষদিন পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়ে যাবে।’







