পুরোনো ঘরে প্রত্যাবর্তন মৌসম বেনজির নূরের । ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হাত শিবির ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন ঘাসফুল শিবিরে। প্রায় সাত বছর পর আবার বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে কংগ্রেসে মৌসম। তৃণমূল ছেড়ে ফিরলেন নিজের পুরোনো ঘরে।
২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেস একটি আসনই পেয়েছিল , যা ছিল মালদহ । মালদহ দক্ষিণ থেকে জিতেছিলেন ঈশা খান চৌধুরী। অর্থাৎ যখন গোটা রাজ্যে কংগ্রেস শূন্য তখন একমাত্র আসার আলো জ্বলেছিল মালদহ দক্ষিণে। উল্লেখ্য , তারপর বর্তমানে রাজনীতিতে অনেকটাই পরিবর্তন এলেও মৌসমের ঘরে ফেরাতে কংগ্রেসের হাত অনেকটাই শক্ত হচ্ছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলে । এ দিন, ২৪ আকবর রোডে কংগ্রেস সদর দফতরে থেকেই ফের কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন মৌসম। তবে এদিন তার মুখে তৃণমূল নিয়ে কোনও মন্তব্য শোনা যায়নি। বরং তিনি বলেছেন যে , তিনি কাজ করতে পারছিলেন, কিন্তু পরিবারের জন্যই তাঁর প্রত্যাবর্তন ।
মৌসম এদিন বলেন, “প্রায় ছ’বছর পর ফিরে এসেছি ভাল লাগছে। আমায় যে ভালবেসে আবার গ্রহণ করেছেন, ঈশাদা যেটা বললেন, সেটাই আমারও বক্তব্য। তৃণমূলও আমায় কাজের সুযোগ দিয়েছে। আমায় জেলা প্রেসিডেন্ট করা হয়েছিল। রাজ্যসভার সাংসদ ছিলাম। তবে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা লেটার জমা দেব। আমি কংগ্রেসের হাইকমান্ড সোনিয়াজি থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ বরকত সাহেবের কথা মনে হচ্ছে। আমার মা সারা জীবন কংগ্রেসকে মজবুতের কাজ করেছে। কংগ্রেসের পরিবার হিসাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর আলাদাভাবে নয়, একসঙ্গে কাজ করব। পরিবার হিসাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাধারণ মানুষও চায় কংগ্রেস আগামী দিনে ভাল জায়গায় যাক।”
মৌসনের কংগ্রেসে ফেরা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নেতা শুভঙ্কর সরকার বলেছেন , “যিনি যোগদান করলেন, তিনি পরিবারের , আবার ফিরে এলেন। আজকের দিনে যে কঠীন লড়াই বাংলায়, বিশেষ করে ধর্মকে হাতিয়ার করে রাজ্যে বিভাজনের রাজনীতি কায়েমের চেষ্টা করছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার দুজনই একই কাজ করছে। তৃণমূল কোনও উন্নয়নের বার্তা দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে গনি খান চৌধুরীর আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে নিশ্চিত ভাবে শক্তিশালী করবে কংগ্রেসকে। এটা শুধু ট্রেলার দেখলাম। আমরা জানলা খুলে রেখেছিলাম। এখন দরজা খুললাম।”
ঈশা খান চৌধুরীও মৌসুমের ফেরা নিয়ে বলেন,”উনি যে এসেছেন আমরা খুব খুশি। মালদহের মানুষ চাইছিলেন মৌসম ফেরত চলে আসুন।”







