নিজস্ব সংবাদদাতা : মনোনয়নের দিন বাড়তে পিছিয়ে যেতে পারে ভোটের দিন । আজ সোমবার হাইকোর্টে, নির্ধারিত হতে পারে পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক করে । উল্লেখ্য প্রধান টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে দুটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলছে । কমিশন নিজেদের বক্তব্য জানাবে। এদিনের শুনানিতে নির্ধারিত হবে , মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ছে কিনা ।
প্রধান বিচারপতির গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, কমিশনকে আদালতের নির্দেশের কথা স্মরণ রাখতে হবে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনী ইস্যু প্রধান বিচারপতি জানান , “আমরা শুধু সচেতন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে করি । ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে । আপনাদের সিসিটিভি , ভিডিয়োগ্রাফি হয়েছে কি? আধাসেনা রাজ্যের পুলিশকে সাহায্য করতে পারে। কমিশন এবিষয়ে এসেসমেন্ট করবে। সেন্ট্রাল ফোর্স এলে সুবিধা হবে।” প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ” রাজ্যের সব পুলিশ যদি ভোটের কাজে চলে গেলে কী হবে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা?” প্রধান বিচারপতি পরিষ্কার করেন, “সিভিকরা পুলিশ নয়। তারা কিছু করবে না।”
উল্লেখ্য রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বলেন, “গোটা রাজ্য জুড়ে ৭৩ হাজার আসন । এত অল্প সময়ে সম্ভব নয়। সব জায়গায় মনোনয়ন ফর্ম যায়নি। সেক্ষেত্রে রাজ্যের সঙ্গে কি আলোচনার দরকার আছে? ” এছাড়াও তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী নির্বাচনের দিন ঠিক করায় রাজ্যকে প্রয়োজন হলেও দিন পরিবর্তনে প্রয়োজন নেই।” যদিও মাত্র একদিনের জন্য মনোনয়ন বাড়তে পারে , এমনটাই কমিশন রিপোর্টে উল্লেখ করলেন। কারণ এই অধিকার আইনে আছে। এর আগেও আমরা সাত দিন সময় দিয়েছিলাম। সেক্ষত্রে কারো কোনও আপত্তি হয়নি। তবে মনোনয়নের জন্য মোট সাতদিন রাখতে পারি।
ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে
জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে । একটি মামলা করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যটি করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। হাইকোর্ট পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয়ে কমিশনের রিপোর্ট তলব করে । সোমবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে নিজেদের বক্তব্য জানাবে কমিশন। ভোটের নিরাপত্তা নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট করছে রাজ্য। রাজ্য পুলিশ না কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন, কমিশন সেটা স্পষ্ট করবে ।







