উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। আজ সকালে বসিরহাটের নেহালপুর এলাকায় টাকি রোডে বাইক ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল দুই যুবকের, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও একজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাড়োয়া থানার তিন যুবক বাজার করতে বসিরহাট এসেছিলেন। বাজার সেরে বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়ির পথে। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি দশ চাকার ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বছর ৩৫-এর ভক্তিপদ মন্ডল এবং ৩০ বছরের বিশ্বজিৎ দাসের। তৃতীয় যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ধান্যকড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঠানো হয় কলকাতার আর.জি. কর হাসপাতালে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাইকে থাকা কারও মাথাতেই হেলমেট ছিল না এবং গাড়ির গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকের চালক ও খালাসি এলাকা থেকে পলায়ন করে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে মাটিয়া থানার পুলিশ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বসিরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে।
এই দুর্ঘটনা ফের একবার বড় প্রশ্ন তুলে দিল — “সেভ লাইফ, সেভ ড্রাইভ” প্রচার কি আদৌ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে পারছে?
পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ থেকে শুরু করে সরকারি বিজ্ঞাপনে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও হেলমেট ছাড়াই বাইক চালানো, বেপরোয়া গতি— এই সবই যেন এখন দৈনন্দিন চিত্র। আজকের এই দুর্ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।







