টলিউডের শক্তিমান পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় শুরু করেছেন তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ‘ম্যাগনাম অপাস’ প্রোজেক্ট ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনকথা তিন সময়কালের পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরতে চলেছেন তিনি। বিশাল কাস্টিং আর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ছবি নিঃসন্দেহে সৃজিতের কেরিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট।
মহাপ্রভুর নীলাচল পর্বের দৃশ্যায়নে সম্প্রতি পুরো টিম পৌঁছে গেছে পুরী। পরিচালক সহ ছিলেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ইশা সাহা, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। শুটিংয়ের ফাঁকে আষাঢ়ের শেষ সোমবার তাঁরা জগন্নাথ মন্দিরে প্রভুর দর্শন করলেন, ভক্তিভরে মিলিয়ে গেলেন জনতার ভিড়ে। কলাপাতায় মহাভোগও উপভোগ করলেন তারকারা। যদিও দিনটিতে চিলকা হ্রদে শুটিংয়ের কথা ছিল, কিন্তু শিডিউল বদলে তাঁরা চলে গেলেন মন্দিরে।
শিবভক্ত সুস্মিতার উদ্যোগে সকলে একসঙ্গে শিবমন্দিরেও পুজো দিলেন। ইশা, ইন্দ্রনীলরাও মুগ্ধ হলেন জগন্নাথ দেবের মহিমায়। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে মাটি, মেঘলা আকাশ উপেক্ষা করেও তাঁরা পৌঁছলেন মন্দিরে, প্রভুর আশীর্বাদ নিতে। মন্দিরের ধ্বজা পরে গলায় আশীর্বাদী স্মারক হিসেবে নিলেন শুভশ্রী, ইশা, ইন্দ্রনীলরা। শেষমেষ পুরীর প্রসাদ নিয়েই কলকাতা ফেরার পরিকল্পনা।
ছবিতে তিন যুগের তিন চৈতন্য, প্রাচীন যুগে দিব্যজ্যোতি দত্ত, নাট্যসম্রাজ্ঞী বিনোদিনীর চরিত্রে শুভশ্রী আর বর্তমান সময়ে সুপারস্টার রূপে ইন্দ্রনীল। নিত্যানন্দের চরিত্রে যিশু। ইশা থাকছেন পরিচালকের ভূমিকায়। পার্ণোর পরিবর্তে ইন্দ্রনীলের স্ত্রীর চরিত্রে থাকছেন সুস্মিতা। নীলাচলে তাই এখন সৃজিতের ক্যামেরায় ইতিহাস, ভক্তি আর তারকাদের ছোঁয়া, এক অভিনব চৈতন্যযাত্রা।







