ফসিল্স ব্যান্ডের নতুন এবং বহুল প্রত্যাশিত অ্যালবাম ‘এফ সেভেন’ এর সাফল্য উদযাপনে সম্প্রতি একটি বিশেষ পার্টি আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে ব্যান্ডের সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন টলিপাড়ার প্রভাবশালী মুখেরা। পার্টিতে হাজির হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, এবং কিছু সময় পর অনির্বাণ ভট্টাচার্য।
অনির্বাণকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বুকে টেনে নেন প্রসেনজিৎ, এরপর জোর গলায় ঘোষণা করেন, “খুব শিগগিরিই ফিরছে প্রবীর-পোদ্দার।” অনির্বাণ তখন লাজুক হাসি দেন। পাশ থেকে রূপম ইসলাম বললেন, “আমি যেন বাদ না পড়ি। আমি যেন থাকি।” প্রসঙ্গত, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এর ‘দশম অবতার’ ছবিতে ‘প্রবীর’ এবং ‘পোদ্দার’ চরিত্রে যথাক্রমে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ ও অনির্বাণ, যা দর্শক এবং সমালোচকদের মধ্যে প্রশংসিত হয়। ছবির একটি গানও গেয়েছিলেন রূপম, যা দর্শকপ্রিয়তা পায়।
এটি অবশ্য প্রথমবার নয় যখন অনির্বাণকে নিয়ে টলিপাড়ায় মন্তব্য শোনা যাচ্ছে। এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ চক্রবর্তী অনির্বাণকে নিয়ে মুখ খুলেছেন। চলতি বছরের পুজোর সময় দেব তাঁর ছবিতে অনির্বাণকে নেওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন। যদিও এর আগেই অনির্বাণের হয়ে ফেডারেশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সম্পর্ক মেরামতের খবরও উঠে আসে।
প্রসেনজিতের পার্টিতে করা মন্তব্যের ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরা ব্যাপকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কারণ ‘প্রবীর’ এবং ‘পোদ্দার’ চরিত্রের সাফল্য এনে দেওয়া পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে অনির্বাণের সম্পর্ক কয়েক বছর ধরে কিছুটা অনড়। সৃজিতের ‘সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই’ ছবি থেকে অনির্বাণ শেষ মুহূর্তে বের হয়ে যান, যাকে ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ক্রিয়েটিভ ডিফারেন্স’ বলা হয়। এরপর সৃজিত অনির্বাণের ছবির বাছাই নিয়ে মন্তব্য করেন, যা দুজনের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ায়। এ কারণে প্রসেনজিতের সম্প্রতি মন্তব্যে দর্শক এবং টলিপাড়া উভয়ই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। প্রশ্ন উঠেছে—শেষমেশ অনির্বাণ কি টলিপাড়ায় পূর্ণরূপে ফেরছেন? এবং সৃজিতের সঙ্গে ‘অভিমান’ কি সমাপ্ত হয়েছে?এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা বা বিবৃতি মেলেনি।







