ক্যামেরার সামনে নয়, বরং পেছন থেকেই সমাজের জন্যএক বিশেষ বার্তা সামনে আনলেন পরিচালক অরিন্দম শীল। সাম্প্রদায়িকতাকে দূরে রেখে ভালোবাসারই এক নতুন রূপ প্রকাশ করা হয়েছে ‘ইফতার’ সিনেমার মাধ্যমে। যা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় দূরদর্শন-এর ডিডি ন্যাশনালে সম্প্রচারিত হতে চলেছে।
ডকু-ড্রামা ‘ইফতার’-এর ভিত্তি এক মানবিক গল্প, যার স্রষ্টা ডঃ সচ্চিনানন্দ যোশী। ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও গণযোগাযোগ বহু ক্ষেত্রেই সমান দক্ষ এই ব্যক্তিত্ব বর্তমানে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। প্রশাসক, শিক্ষক, লেখক ও বক্তা—সব ভূমিকাতেই তাঁর স্বতন্ত্র উপস্থিতি লক্ষণীয়। তাঁর লেখা গল্প থেকেই ‘ইফতার’-এর চিত্রনাট্যের জন্ম। ছবির শুটিং সম্পূর্ণ হয়েছে কলকাতা-তে, যেখানে হিন্দি থিয়েটারের শিল্পীরা অভিনয়ের মাধ্যমে গল্পটিকে জীবন্ত করে তুলেছেন। প্রযোজনায় রয়েছেন সতনম আল্লুওয়ালিয়াহ, যিনি পরিচালক শীলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
‘ইফতার’-এর মূল ভাবনায় রয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য বার্তা। এখানে গণেশ চতুর্থী এবং ইফতার—দুই ভিন্ন ধর্মীয় পরম্পরা এসে মিশেছে এক সুরে। ভিন্নতার মাঝেও মানুষের মিলনই যে শেষ কথা, সেই মানবিক বার্তাকেই ছবিটি তুলে ধরেছে সংবেদনশীলভাবে। অরিন্দম শীলের এই নতুন প্রয়াস শুধু একটি ডকু-ড্রামা নয়, বরং বর্তমান সময়ে সহাবস্থান ও সম্প্রীতির এক প্রাসঙ্গিক দলিল বলেই মনে করছেন অনেকে।







