কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীদের কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী Mamata Banerjee। শুধু ভোটপর্ব নয়, ভোট মিটে যাওয়ার পরও সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য লোডশেডিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
রবিবার চেতলায় কর্মিসভা থেকে Mamata Banerjee বলেন, “ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে যাবেন না। স্ট্রং রুমে লোডশেডিং করে দিতে পারে। বিশেষ নজর রাখতে হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
২০২১ সালের West Bengal Assembly Election 2021-এ নন্দীগ্রামে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন মমতা। সেই সময় তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ওঠে, পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রভাবিত করা হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।
এবারও একই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে দলীয় কর্মীদের বাড়তি সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ভোটগ্রহণের পর ব্যালট স্ট্রং রুমে পৌঁছানো থেকে শুরু করে সিল করার প্রক্রিয়া—সবকিছুতেই নজরদারির কথা বলেন মমতা। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রেও সর্বক্ষণ উপস্থিত থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কর্মীদের নির্দেশ দেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন Abhishek Banerjee, Firhad Hakim-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেও বিশেষ বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী। উল্লেখ্য, এবারও ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হচ্ছেন তিনি।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী হচ্ছেন Suvendu Adhikari। ইতিমধ্যেই তিনি ভবানীপুরে মমতাকে বড় ব্যবধানে হারানোর দাবি করেছেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
প্রচারের সূচিও ঘোষণা করেছেন মমতা। ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার, ময়নাগুড়ি ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি; ২৫ মার্চ রাজগঞ্জ, হরিরামপুর ও মালদা; ২৬ মার্চ নবগ্রাম, খড়গ্রাম, ময়ূরেশ্বর ও পাণ্ডবেশ্বর; ২৭ মার্চ পুরুলিয়া, কাশীপুর, ছাতনা ও ওন্দা; এবং ২৮ মার্চ কোতুলপুর ও গড়বেতায় জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর।
ভোটের আগে ও পরে সংগঠনকে চাঙ্গা রাখতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে তৃণমূল নেতৃত্বের এই কড়া বার্তা রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।







