নিজস্ব সংবাদদাতা: বীরভূম জেলার ইলামবাজার ব্লকের জয়দেব কেন্দুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জয়দেব কেন্দুলী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাল বর্তমানে বেশ খারাপ। প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র যে দরকার সেটা এলাকায় এলেই বুঝতে পারা যায়। এই প্রাথমিক সাস্থ্য কেন্দ্রে পূর্বে ছিল ২৪ ঘন্টা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো সেই ভাবেই ছিল। কিন্তু বর্তমানে এখন ডাক্তার নেই, কিছুদিন আগে ইলামবাজার হাসপাতাল থেকে সপ্তাহে তিন দিন একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার এসে এখানে পরিষেবা দিতেন। বর্তমানে একজন ডাক্তারের নামে ট্রেনার, নাকি কোয়ার্ক ডাক্তার তা ঠিক বোঝা যায় না। পরিষেবার হাল যেন লাটে উঠেছে।
এলাকার মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের সাংবাদিক, ডাক্তারকে কবে বসেন এবং কোথায় থেকে আসছেন এই কথাটুকু জিজ্ঞেস করাতে ডাক্তারবাবু ক্ষেপে ওঠেন। তিন দিন আপনি যদি জয়দেব কেন্দুলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বসেন তাহলে বাকি দিনগুলো কোথায় চেম্বার করেন এই প্রশ্নের উত্তরের ডাক্তারবাবু এড়িয়ে যান অর্থাৎ এক কথায় উনি ট্রেনার না ডাক্তার সেটাই প্রশ্ন। যদি ট্রেনার হন তাহলে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরিবর্তে কেন ট্রানার? ডাক্তার সাধারণত রোগীর পাশাপাশি বসে রোগী চিকিৎসা করেন, এটা আমরা জানি। কিন্তু বেরিকেটের ওপাশে ডাক্তার, এপাশে রোগী কিভাবে ট্রিটমেন্ট? তাহলে কি মন বোঝানো হিসাবে হসপিটাল চালানো হচ্ছে?
আমাদের সাংবাদিক ইলামবাজার বি এম ও এইচ কে বাই ফোন জিজ্ঞাসা করা হলে উনি বলেন, ছুটিতে আছি ।অর্থাৎ এক কথায় তিনি সব প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান। তাহলে কি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মদত রয়েছে ডাক্তারের এই ঔদ্ধত্য জন্য গ্রাম্য এরিয়ার হাসপাতালে সাধারণত কম শিক্ষিত মানুষরা এখানে চিকিৎসা করাতে আসে। ডাক্তারবাবু কবে কবে বসেন তা বাইরে কোন পোস্টারে লেখা নেই। তাহলে এলাকার মানুষ জানবে কিভাবে? এই বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা করাতে যায় না প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। এই হাসপাতালে একসময় অত্যাধিক পরিমাণে রোগী হতো এবং অভিজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে ট্রিটমেন্ট করানো হতো। মানুষের আর্জি এই অনভিজ্ঞ ডাক্তার সরিয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার এনে সঠিক ট্রিটমেন্ট করার ব্যবস্থা করা হোক।







