লোকসভা ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক জমিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ক্যানিং ও ভাঙড় কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শক্তির টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ক্যানিং পূর্বের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা-র শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জীবনতলায় ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছে।
সূত্রের খবর, ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শোয়েব শেখের পরিবারের একাংশ আইএসএফ-এ যোগ দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই যোগদানকে সামনে রেখেই শাসক দলকে কটাক্ষ করেছেন ভাঙড়ের দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম। মঞ্চ থেকে সরাসরি নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল শওকত মোল্লাকে লক্ষ্য করেই আক্রমণ। আরাবুলের দাবি, শাসক দলের প্রতি ক্ষোভ থেকেই তৃণমূলের ঘনিষ্ঠদের একাংশ এখন বিকল্প পথ খুঁজছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ শওকত মোল্লা। তাঁর বক্তব্য, যারা দল ছেড়েছেন, তারা অনেকদিন ধরেই সংগঠনের সক্রিয় অংশ ছিলেন না। ফলে এই যোগদানে দলের শক্তিতে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই দাবি তাঁর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পঞ্চায়েত স্তরের নেতার পরিবারের এই যোগদান প্রতীকী হলেও এর রাজনৈতিক বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীরা যে জমি শক্ত করার চেষ্টা করছে, এই ঘটনা তারই ইঙ্গিত বহন করছে। সব মিলিয়ে ক্যানিং ও ভাঙড়ে আই এস এফ বনাম তৃণমূলের লড়াই যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা বলাই যায়।







