নির্বাচনের মুখে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বড় স্বস্তি দিল আদালত। ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে সেই সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রওয়ের স্পষ্ট বার্তা স্বাধীন সংস্থা হলেও কমিশন ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
এর আগে কমিশনের নির্দেশ ছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকেই ব্যক্তিগত বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এই নিয়মে চরম সমস্যায় পরেছিলেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কর্মজীবী ও নিত্যযাত্রীদের একাংশ। সেই প্রেক্ষিতেই দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। শুনানিতে আদালত প্রশ্ন তোলে কোন আইনি ভিত্তিতে শুধুমাত্র বাইকের ওপর এই বিধিনিষেধ? অন্য যানবাহনের ক্ষেত্রে একই নিয়ম কেন প্রযোজ্য নয়?আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনী নিরাপত্তা জরুরি হলেও তা যেন নাগরিকের স্বাভাবিক জীবনে অযথা বাধা সৃষ্টি না করে। যার ফলে আগের নির্দেশ অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের আগের দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে অর্থাৎ প্রায় ১২ ঘণ্টা আগে এই বিধি কার্যকর হবে। তবে ভোটের দিন সকাল থেকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করা যাবে। কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, বাইকে সহজে নাকা চেকিং এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব, তাই এই নিষেধাজ্ঞা। যদিও আদালত মনে করেছে, একতরফা বিধিনিষেধের বদলে সমন্বিত ও যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা প্রয়োজন।







