দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন বেহালা পশ্চিমে উত্তেজনার পারদ চড়ল একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী Ratna Chatterjee বিস্ফোরক দাবি করে জানিয়েছেন, তাঁদের এক কর্মীর উপর বিনা প্ররোচনায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে। অভিযোগ, কয়েকদিন আগেই ওই কর্মীর স্ট্রোক হয়েছিল, তবুও তিনি দলের কাজে সক্রিয় ছিলেন। সেই অবস্থাতেই তাঁর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি।
তৃণমূলের তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে ১০০ মিটারের বাইরে ক্যাম্প অফিস তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে সেই ক্যাম্প ভেঙে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা, যাতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা যায়।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন চলাকালীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব। কিন্তু এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে সরব হয়ে Ratna Chatterjee দাবি করেছেন, “বিজেপি বুঝে গিয়েছে তারা হারছে, তাই শান্ত এলাকাগুলিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে ভোট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।”
এই ঘটনার পর বেহালা পশ্চিম সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররাই তাঁদের মত প্রকাশ করবেন ব্যালটেই—এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।







