লোকসভা ভোটের আগে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি Sujit Bose-র লেক টাউনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল Enforcement Directorate। দিনভর অভিযানের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে বেরিয়ে যান তদন্তকারীরা। তারপর কেটে যায় প্রায় আড়াই বছর। প্রশ্ন উঠছিল—তদন্ত এত ধীরগতির কেন?
সোমবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষমেশ Enforcement Directorate গ্রেফতার করে Sujit Bose-কে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভোটের আগে একাধিকবার তলব করা হলেও কৌশলগত কারণেই গ্রেফতারি এড়ানো হয়েছিল। ইডির মতে, নির্বাচনের আগে পদক্ষেপ করলে রাজনৈতিক সহানুভূতি আদায়ের সুযোগ পেতে পারতেন সুজিত। সেই সুযোগ দিতে চায়নি কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সূত্রের খবর, জেরার সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি ইডির। আদালতে পেশ করে অন্তত ১০ দিনের হেফাজত চাইবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
এদিকে এবার চাপ বাড়ছে Rathin Ghosh-এর উপরও। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকেও একাধিকবার তলব করা হয়েছিল। তবে ভোট প্রচারের কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি।
শুধু দুই প্রাক্তন মন্ত্রী নন, উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুর চেয়ারম্যানও এখন তদন্তের রাডারে। রাজনৈতিক মহলের মতে, পুর দুর্নীতি, গরু পাচার এবং বেআইনি কয়লা মামলায় আগামী দিনে আরও বড় পদক্ষেপ দেখা যেতে পারে।







