রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আর এন রবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দুপুরের আগে তিনি লোকভবনে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যপাল তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। পরে দু’জনের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি কিছুক্ষণ একান্তে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণার দিনই তিনি লোকভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি পেশ করেছিলেন। এরপর বুধবার ফের রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি।
সূত্রের খবর, দুপুর ১২টার কিছু আগে শুভেন্দুর গাড়ি লোকভবনে পৌঁছয়। সেখানে রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। তারপর তাঁদের মধ্যে কিছু সময় ব্যক্তিগত আলোচনা হয়। ইতিমধ্যেই নতুন সরকার জনমুখী একাধিক প্রকল্প ও সিদ্ধান্তের কাজ শুরু করেছে। আগামী মাসে রয়েছে রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ। প্রথা অনুযায়ী, সেই অধিবেশনের সূচনা করবেন রাজ্যপাল। পাশাপাশি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর নতুন মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে বাংলার ক্ষমতায় আসে বিজেপি। ২৯৪টির মধ্যে ২০৮টি আসনে জয় পায় গেরুয়া শিবির। এরপর ৮ মে রাজ্যে এসে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, ভবানীপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো শুভেন্দু অধিকারীকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। পরে শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এরপরই শুভেন্দু কয়েকজন জয়ী বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের আবেদন জানান।







