ফের এক যুবকের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যের কাঁচরাপাড়ায়। মৃত যুবক সুমিত মুখোপাধ্যায়। স্ত্রীর সঙ্গে দেড় বছর আগে বিয়ে হয়েছিল স্নেহার। বিয়ের পর শরৎপল্লী এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন দম্পতি। কিন্তু অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর পাশাপাশি শ্বশুর-শাশুড়িরও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন সুমিত।
সোমবার রাতে সুমিতের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকেই। তবে মৃতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়—তাঁকে পরিকল্পনা করে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের তির একেবারে সুমিতের স্ত্রী ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দিকে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, সুমিত মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন চরম অত্যাচারে। তাঁর ঘরে রক্তের দাগও রহস্য ঘনীভূত করছে।
ঘটনার পরেই বীজপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত শ্বশুর, শাশুড়ি বা স্ত্রী কাউকেই আটক করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এই ঘটনাটি ফের একবার সামনে নিয়ে এসেছে এক প্রশ্ন—পুরুষরাও কি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন না? অতুল সুভাষের মতো আগের বহু ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন ঘটেই চলেছে। শুধুমাত্র স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের চাপেই বহু পুরুষ চুপচাপ মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছেন। সমাজ কি এবার সেই দিকেও চোখ দেবে? তদন্তে কী উঠে আসে, তার দিকেই তাকিয়ে সবাই।







