বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ম্যাচটি ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল কিলিয়ান এমবাপে বনাম আর্লিং হালান্ডের সম্ভাব্য মহারণ। তবে সেই প্রতীক্ষিত লড়াই আর দেখা গেল না। বিশ্রামে থাকায় মাঠেই নামলেন না নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার হালান্ড। সেই সুযোগে তারকাহীন নরওয়েকে কার্যত বিধ্বস্ত করে ৩-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিল ফ্রান্স। উসমান দেম্বেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোয় পৌঁছল ‘লে ব্লু’।
ম্যাচের আগেই দুই দলই নকআউট নিশ্চিত করে ফেলায় একাধিক পরিবর্তন করেছিলেন দুই কোচ। নরওয়ের প্রথম একাদশে ছিলেন না হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেকজান্ডার সোরলথদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলাররা। ফ্রান্সও বিশ্রাম দেয় উইলিয়াম সালিবা, আদ্রিয়াঁ রাবিয়োঁদের। তবে আক্রমণভাগে শুরু থেকেই ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে এবং উসমান দেম্বেলে।
শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণে নরওয়ের রক্ষণকে চাপে ফেলে দেম্বেলে। প্রথমার্ধেই গোলের খাতা খুলে ফরাসিদের এগিয়ে দেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি দুরন্ত গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন দেম্বেলে। এমবাপেও একাধিক আক্রমণ তৈরি করে সতীর্থদের সুযোগ করে দেন, যদিও নিজে গোলের মুখ খুলতে পারেননি।
অন্যদিকে, একই গ্রুপের অপর ম্যাচে ইরাককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে নকআউটে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল সেনেগাল। প্রথম দুই ম্যাচে পরাজয়ের পর শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। এখন তাদের ভাগ্য নির্ভর করবে অন্য ম্যাচের ফল এবং গোল ব্যবধানের অঙ্কের উপর। ফ্রান্স অবশ্য নিখুঁত পারফরম্যান্সে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে পা রাখল।







