বিশ্বকাপে ফের ইতিহাস গড়লেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। পানামার বিরুদ্ধে গোল করে ইংল্যান্ডের জার্সিতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন তিনি। একই সঙ্গে ২-০ ব্যবধানে জিতে গ্রুপ ‘এল’-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে উঠল ইংল্যান্ড।
শনিবার মধ্যরাতের ম্যাচে প্রথমার্ধে প্রত্যাশামাফিক ছন্দে দেখা যায়নি ইংল্যান্ডকে। বলের দখল থাকলেও আক্রমণে ধার ছিল না, তৈরি হয়নি তেমন উল্লেখযোগ্য সুযোগ। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬২ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের গোলে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্স। মাত্র পাঁচ মিনিট পরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। সেই গোলেই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১১-তে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এতদিন ১০ গোল নিয়ে শীর্ষে ছিলেন কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকার। চলতি বিশ্বকাপে কেনের এটি তৃতীয় গোল, ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও তিনি জোরালোভাবে উঠে এলেন।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। নকআউটের প্রথম পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে সেনেগাল অথবা ডিআর কঙ্গো। সেই বাধা টপকাতে পারলে শেষ ষোলোয় সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে মেক্সিকো কিংবা ইকুয়েডর।
অন্যদিকে গ্রুপের অপর ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে গোল করেন সুসিচ ও ভ্লাসিচ, আর ঘানার একমাত্র গোলটি আসে লুকাসেনের পা থেকে। জয়ের ফলে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ক্রোয়েশিয়া। নকআউটে তাদের প্রতিপক্ষ হবে কলম্বিয়া অথবা পর্তুগাল। অন্যদিকে ঘানাও শেষ ৩২-এ খেলবে ওই দুই দলের মধ্যে যে দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, তাদের বিরুদ্ধে।
হ্যারি কেনের রেকর্ড, বেলিংহ্যামের গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং দলের পরিণত পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ইংল্যান্ড শিবির।







