আগামী শনি ও রবিবার দিল্লিতে বসতে চলেছে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলন। আয়োজক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশাপাশি চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপ্রধানদেরও সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ফের জানিয়ে দিয়েছেন, দিল্লির এই সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের তরফে শুধু প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিলের কথাই জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে কোনও প্রতিনিধি দলও পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী। এর আগে ঢাকার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সেই পরিচয়েই তাঁকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবেই তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই বিষয়টিই ফের তুলে ধরেছেন হুমায়ুন কবির।
যদিও ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানোর ক্ষেত্রে কোনও কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক ত্রুটি হয়নি। ব্রিকস সম্মেলনে বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের শীর্ষ পদাধিকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট জোটের পদকেই আমন্ত্রণের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
ভারতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণপত্র তারেক রহমানের শপথগ্রহণের দিনই তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। তা সত্ত্বেও ঢাকার অভিযোগ, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, উপযুক্ত সময়ে ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সফরের জন্য বাংলাদেশ সরকার অনুকূল পরিস্থিতির অপেক্ষা করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।






