বাংলাদেশ জুড়ে রয়েছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। সেই উত্তাপে আঁচ এসে পরেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। এখনো পর্যন্ত অনেক ভারতীয় নাগরিক আটকে পরেছে। তাদের পরিবার পরিজন ভারতবর্ষে প্রবল চিনতায় রয়েছে। সেই কারণে আজ ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল নির্দেশিকা জারি করে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।
কোনো রকম সংরক্ষিত কোটার বিনিময় নয়, চাকরি দিতে হবে মেধার বিনিময় এই দাবিতে আন্দোলন চলছে বাংলাদেশ জুড়ে। কোটার বিরুদ্ধে বিক্ষোভের তাপ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পরেছে গোটা দেশে। বাংলাদেশের আন্দোলনের উত্তাপ দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতেও। তবে এখনো পর্যন্ত অনেক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে এই অশান্তির মধ্যে আটকে পরেছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে বাংলাদেশ গামি দুটি এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তারপরেও এখনো প্রায় ১৫ হাজারে ভারতীয় সেখানে আটকে রয়েছে।
বর্তমানে বিক্ষোভের কারণে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে পরেছে বাংলাদেশে। এমনকি একাধিক সরকারী ভবনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি চলছে পুলিশের উপর আক্রমণ। এরকম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা এবং সিলেটে। তবে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকে তরফ থেকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশে আটকে পরা ভারতীয়রা বর্তমানের সকলেই নিরাপদে রয়েছে। তবে খুব প্রয়োজন ছাড়া তাদের বেরোতে বারণ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। তবে বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রবল উৎকণ্ঠায় আছে আটকে পরা ভারতীয়দের পরিবার। এমনকি এর ফলে বৃদ্ধি হচ্ছে আরো হিংস্রতা ও আন্দোলনের তীব্রতা।
তবে বাংলাদেশে আটকে পরা ভারতীয়দের জন্য নির্দেশিকার স্পষ্ট জানানো হয়েছে ভারত সরকার তাদের পাশে আছে। এরপরেও যদি কোনোরকমের সংকট বা আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে যেন দ্রুত নিকটবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসে যোগাযোগ করেন তাঁরা। তবে আন্দোলনের বিষয় নিয়ে মন্ত্রণালয় কোনো রকম মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। কারণ তারা মনে করছে এই পুরো বিষয়টাই দেশের অভ্যন্তরী ব্যাপার। তাই তাঁরা এড়িয়ে চলেছেন। এই পুরো বিষয়টার ওপর কড়া নজরদারিতে রেখেছে বিদেশ মন্ত্রালয়। পাশাপাশি ভারতের পক্ষ থেকে আভাস দেওয়া হয়েছে যদি পরিস্থিতি আরো জটিল হয় তাহলে কোনো রকম পদক্ষেপ নিতে পিছুপা হবেন না তাঁরা।







