উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় ফেরার সুযোগ হল না কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরীর। সোমবার রাজ্যের আটটি রাজ্যসভা আসনের জন্য বিজেপি যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে জায়গা হয়নি তাঁর। একইভাবে মনোনয়ন পাননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিএল বর্মাও।
বিজেপির এই সিদ্ধান্তের পরই হরদীপ পুরীর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যসভায় তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিসভাতেও পরিবর্তন হতে পারে। যদিও বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতার দাবি, আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে পুরীকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
প্রাক্তন কূটনীতিবিদ হরদীপ সিংহ পুরী অবসর নেওয়ার পর বিজেপিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে জিতে প্রথমবার সাংসদ হন তিনি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমৃতসর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কংগ্রেসের গুরজিৎ সিংহ অউজলার কাছে পরাজিত হন। ২০২০ সালে ফের উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন পুরী। আগামী ২৫ নভেম্বর তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
অন্যদিকে, ১৬ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের ১০টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। বিধানসভায় বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে ঘোষিত আট প্রার্থীর জয় নিয়ে দলের অন্দরে বিশেষ সংশয় নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
এই আটটি আসনের জন্য উত্তরপ্রদেশ বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ২৪ জনের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই তালিকায় হরদীপ সিংহ পুরীর পাশাপাশি স্মৃতি ইরানি এবং কুমার বিশ্বাসের নামও ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাউকেই প্রার্থী করা হয়নি।
বিজেপির ঘোষিত আট প্রার্থী হলেন ধর্মপাল সিংহ, রাধাকান্ত ওঝা, প্রকাশ পাল, বিদ্যাসাগর সোনকর, গোপী কৃষ্ণ পাণ্ডে, প্রিয়াঙ্কা সিংহ রাওয়াত, রামপ্রতাপ সিংহ চৌহান এবং শ্রুতি গঙ্গোয়ার।
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বিজেপির সামাজিক সমীকরণ নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।







