গৃহশিক্ষকতা করতে যাওয়ার পথে এক তরুণীকে উত্যক্ত ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানা এলাকার। ধৃতের নাম শফিকুল খান। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুরে কোতুলপুর থানা এলাকার এক তরুণী পাশের গ্রামে গৃহশিক্ষকতা করতে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বাইকে চেপে এসে তাঁকে উত্যক্ত করতে শুরু করেন শফিকুল। পরে ওই তরুণীর শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি নজরে আসতেই স্থানীয় কয়েক জন অভিযুক্তকে ধাওয়া করেন। তবে বাইক নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান ওই যুবক। এরপর নির্যাতিতার পরিবার কোতুলপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ।
সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে গ্রেফতার
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। এরপর শুরু হয় তল্লাশি। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শফিকুল খানকে গ্রেফতার করে কোতুলপুর থানার পুলিশ।
ধৃতের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তাঁকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা
ঘটনায় পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্যও। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নারী নিরাপত্তার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণেই পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পেরেছে।
বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি কেশবী নাগা পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, অভিযোগ দায়েরের পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, অন্যায়কারীদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতে বিচারাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।







