অফবিট

শর্করার মাত্রা বাড়ে খাবার খাওয়ার পর, চিকিৎসকের কথা মেনে চললে তা আর হবে না !

নিজস্ব সংবাদদাতা : রোজকার রুটিনে ব্যায়াম রাখাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই খাবার খাওয়ার পর যাতে ঘাম ঝরে এমন কাজ করতে হবে। হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদির মাধ্যমে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

কেন খাওয়ার পর চিনির মাত্রা বেড়ে যায়,জানান বিস্তারিত –

অনেক সময় দেখা যায় যে, খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার পরিমাণ অনেকটা বেড়ে যায়। যার কারণে সুগারের রোগীদের খাবারের আগে ও পরে রক্ত পরীক্ষা করানো হয়ে থাকে। যাদের দীর্ঘ দিন ধরে ডায়াবেটিস আছে তাদের অনেক সময় খাবার খাওয়ার পর রক্ত শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। রক্ত শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলেই শরীরে অনেক রকমের বিপদ তৈরি হবে। তার জন্য অনেক ওষুধ খেতে হয়। তবে এবার ওষুধ ছাড়াও স্বাস্থ্যকর, নিয়ম মেনে চললেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে শর্করার মাত্রা। প্রথমে লাগাম দিতে হবে জিভকে। বেশি ক্যালোরি যুক্ত খাবার একদম খাওয়া যাবে না। বাইরের খাবারের দিকে তো একদম যাওয়া যাবে না। চিনি,চাল,ময়দা একে বারে খাবারের লিস্ট থেকে বাদ দিতে হবে। নিয়ম করে ৩০মিনিট ব্যায়াম করে ঘাম ঝরাতে হবে।

খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলেও পরে তা আস্তে আস্তে কমতে থাকে।একজন সুস্থ ব্যক্তির শরীরে খাবার খাওয়ার পর শর্করার মাত্রা ১৪০mg/dl এর নিচে থাকা দরকার।এর বেশি হলেই, বিপদের ঘণ্টা বাজছে।যদিও ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরের রক্তে এর থেকে বেশি শর্করা থাকে। কিন্তু তাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।

শরীর কার্বোহাইড্রেটকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে, যা গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়। কয়েক ঘন্টার মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য ইনসুলিন চিনির মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।যার ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের খাবার মেপে খেতে হয়। যদি কোনো খাবারে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকে তাহলে রক্ত পরীক্ষা করলে দেখা যাবে যে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেছে । যার জন্য খাবার মেপে খেতে হবে যাতে কোনো সমস্যা তৈরি না হয়।

রোজ ব্যায়াম করতে হবে। খাবার খাওয়ার পর সাইকেল,হাঁটা, সাঁতার ইত্যাদি কাজ করতে হবে যার দ্বারা রক্তে শর্করার মাত্রা কমবেই। খাবারের দুঘন্টা আগে ও পরে সুগার মেপে রাখতে হবে। তবে ঠিক থাকে ফলাফল পাওয়া যাবে। কিন্তু দিনে দু- তিন বারের বেশি গ্লুকোমিটার ব্যবহার করা ভালো নয়।

যে খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বেশি রয়েছে সেই রকমের খাবার খেতে হবে। এছাড়াও চর্বিহীন প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, সীামিত কার্বোহাইড্রেট এসব খেতে হবে। খাবারের ব্যাপারে নিজেকে যত্ন নিতে হবে। সেই সব খাবার খাওয়া উচিত যেগুলো শরীরের পক্ষে ভালো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.