পূজো দিতে বা পূজো করতে আমরা প্রত্যেকেই ভালবাসি। সমস্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ফুলের ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়।তবে হিন্দু ধর্ম এবং পূজাবিধিতে বিভিন্ন ফুলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এখন অবশ্য বেশিরভাগ সময়ই ঈশ্বরকে দোকান থেকে কিনে আনা ফুলই নিবেদন করতে বাধ্য হই।কিনে আনা ফুলের মধ্যে থাকে জবা, বেল, জুঁই, রজনীগন্ধা কিংবা দোপাটি। সঙ্গে একটু তুলসী পাতা আর কয়েকটা বিল্ব পত্র। তবে সেই ফুলের সিংহভাগ জুড়ে থাকে গাঁদা। কিন্তু বিশেষজ্ঞ ও পন্ডিতদের মতে সব ভগবান গাঁদা ফুলে তুষ্ট হন না। প্রত্যেক দেব-দেবীর পছন্দ অনুযায়ী নিবেদন করতে হয় তাঁদের পছন্দের ফুল। না হলে সংসারে ঘনিয়ে আসতে পারে ঘোর বিপদ।
১. পুজোপাঠ বা অন্য যে কোনও শুভ কাজে গাঁদা ফুলের ব্যবহার বেশি লক্ষ্য করা হয়। কেশর এবং হলুদ দেবতাদের খুব প্রিয় বলে মনে করা হয়। আর গাঁদা ফুলে এই দুটি রঙই থাকে। সেই কারণেই সমস্ত দেবদেবীর পুজোয় গাঁদা ফুল নিবেদন করা হয়ে থাকে।
২. জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে গাঁদা ফুলের সঙ্গে বৃহস্পতি গ্রহের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। গাঁদা ফুলে বৃহস্পতি প্রসন্ন হয়। এর ফলে ভাগ্য খুলে যায়। সংসারে আসে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি।
৩. গাঁদা ফুল ভগবান বিষ্ণুরও বেশ প্রিয়। তাই রোজ ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে গাঁদা ফুল নিবেদন করলে তাঁর বিশেষ কৃপা পেতে পারেন ভক্তেরা।এছাড়াও যে কোনও কাজে বাধা দূর করতে গণেশকেও গাঁদা ফুল নিবেদন করা হয়।
৪. গাঁদা ফুলের এই হলুদ রঙ ত্যাগের প্রতীক। আবার, এই রঙটি আগুনের মতো দীপ্ত ব্যক্তিত্বেরও প্রকাশ করে। গাঁদা ফুলের বহু পাপড়ি একতার প্রতীক হিসেবে নির্দেশ করে।







