আবারও আক্রমণে সামিল দিলীপ! হাওড়া উত্তরের বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরী প্রসঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে শোরগোল ফেলে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। পাশাপাশি, তৃণমূলের ‘বাড়ি বাড়ি দিদির দূত’ ক্যাম্পেনকেও বেনজির কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ।
দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত। চড়ছে রাজনীতির পারদ। শনিবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গৌতম প্রসঙ্গে দিলীপ-উবাচ, ‘বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।’
‘দিদির দূত’ প্রসঙ্গেও সরব বিজেপি সাংসদ। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘দিল্লির দূত এখন বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে। ব্যাংক, বিডিও অফিসেও পৌঁছে যাচ্ছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল নেতারা সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। দিদির সুরক্ষা কবচ তৃণমূল নেতাদেরই লাগবে।’ পালটা হুঁশিয়ারিতে সামিল তৃণমূলও। শান্তনু সেনের কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি ইকো পার্কে হাঁটার পর রোজ সকালে যা ইচ্ছা হয় তাই বলেন দিলীপবাবু। প্রচারের আলোয় থাকার জন্য এসব করেন তিনি।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগ ঘটাতে সামিল তৃণমূল কংগ্রেস। উক্ত প্রকল্পে তৃণমূলের সাড়ে ৩ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক ‘দিদির দূত’ হয়ে রাজ্যের ১০ কোটি মানুষের বাড়িতে পৌঁছবেন। মানুষকে জানাবেন রাজ্য সরকারের ১৫টি ‘ফ্ল্যাগশিপ’ প্রকল্পের যাবতীয় বিষয়াদি। কোনও প্রকল্প পেতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা, তা’ও জানতে চাইবেন দিদির দূতেরা। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনও পরামর্শ থাকলেও তা নথিভুক্ত করে নেবেন দিদির দূতেরা। পরে তা অ্যাপের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে।







