“ধর্মতলায় সিইএসসির অফিস ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই সভা করতে দেওয়া হোক” এই আর্জি জানিয়ে বঙ্গ বিজেপি আগামী ২৯ নভেম্বর ধর্মতলা চত্বরে জনসভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর সেই সভা করার নির্দেশ দিয়েছিল স্বয়ং হাইকোর্ট। এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য শহরে এসেছিলেনন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর তাকেই মোট ৫১ হাজার চিঠি পাঠাচ্ছে তৃণমূল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এই বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বিজেপির বিশেষ সভার সময়েই। আর এই সভা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ফের এক জনসভার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
এবার কলকাতা হাইকোর্ট খেজুরির সভার অনুমতি দিল।এই সভায়ও উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।২রা ডিসেম্বর দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সভা হবে। এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, “শাসক দল কি ১৫ দিন আগে কর্মসুচির কথা জানায় ? জয় সেনগুপ্ত মঞ্চের আয়তন জানতে চাইছেন কেন? শেষবার যখন শাসক দলের কেউ সভা করেছিল তখন মঞ্চের আয়তন জানতে চেয়েছিলেন?” অন্যদিকে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “শব্দবাজি ছাড়া সভা করতে হবে। কোনওরকম উস্কানিমূলক মন্তব্য করা যাবে না।”







