বাড়ির পোষ্যই হলো মৃত্যুর কারণ। একই পরিবারের দুই জন , বাবা ও ছেলে বিড়ালের কামড়ে মারা গেলো। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আকবরপুর কোতোয়ালি এলাকার অশোক নগরের। মৃত দুই জনের নাম ইমতিয়াজউদ্দিন ও আজিম। ইমতিয়াজউদ্দিন পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি নবৌলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তাদের বাড়ির পোষ্য বিড়ালটিকে রাস্তার একটি কুকুরে কামড়ায়। পরবর্তীতে বিড়ালটিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। চিকিৎসা চলাকালীন অক্টোবর মাসের শেষের দিকে হঠাৎই একদিন বিড়ালটি ইমতিয়াজউদ্দিন এবং তার ছেলে আজিমকে নখে আঁচড় দেয়। কিন্তু তাঁরা বিষয়টিকে হালকা ভাবে নেন। এমনকি জলাতঙ্কের ইনজেকশন নেননি।
এরপর নভেম্বরের শুরুতে বিড়ালটি মারা যায়। নভেম্বর মাসের ২০ তারিখ হটাৎই আজিমের শরীরের অবস্থার অবনতি ঘটে। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই এক প্রাইভেট চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টিটেনাস ইনজেকশন নেন। বেশ কিছুদিন বাদ আরও অবনতি হয় আজিমের শরীরের।
স্থানীয় হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয় তাকে। শরীরের অবনতি হলে তাকে কানপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসার সময় পথেই তার মৃত্যু হয়। এর কিছুদিন বাদ আজিমের বাবা ইমতিয়াজউদ্দিনের শরীর অসুস্থ হতে থাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কত বৃহস্পতিবার ইমতিয়াজউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
তবে ইমতিয়াজউদ্দিনের স্ত্রী, স্বামীর জলাতঙ্কে মৃত্যু সেটা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানিয়েছেন তার স্বামীর উচ্চ রক্তচাপ ও সুগার ছিল। তার ফলেই হার্টঅ্যাটাক হয়ে মৃত্যু হয় স্বামীর। এই বিষয়ে ভেটেরিনারি অফিসার সুবোধ জানান, ‘বাবা ও ছেলের মধ্যে জলাতঙ্কের লক্ষণগুলো স্পষ্ট ছিল। জলাতঙ্ক বিপজ্জনক সংক্রমণ। কারোর বাড়িতে যদি পোষা কুকুর বা বিড়াল থাকে, তাহলে তাঁকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন দিতে হবে, যাতে পরিবারের সদস্য ও শিশুদের কোনও সমস্যা না হয়। ইমতিয়াজউদ্দিনের বাড়ির বিড়ালটিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন দেওয়া হয়নি।’







