মোটামুটি সকলেই ডিম খেতে ভালোবাসেন। তবে কেউ খান সিদ্ধ, আবার কারও অমলেটই প্রথম পছন্দ। সকালে অফিসের তাড়াহুড়োতে তেমন করে ব্রেকফাস্ট তৈরি করা যায় না। অগত্যা ভরসা করতে হয় ব্রেড ওমলেটের উপরেই। কখনও বা কলার সঙ্গে সেদ্ধ ডিম দিয়ে বাচ্চাদের টিফিন তৈরি করে দেয় অনেক মায়েরা। এক কথায় যাকে বলে সস্তায় স্বাস্থ্যকর খাবার।
প্রাকৃতিকভাবেই ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। ব্রেকফাস্টে একটা সিদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়।
ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি। যা কিনা শিশুদের দাঁত, হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। এমনকি ডাক্তাররা বলছেন, গর্ভবতী মহিলাদেরও নিয়মিত খাওয়া উচিত সিদ্ধ ডিম। তবে ডিমের এই গুণ একমাত্র পাওয়া যাবে সিদ্ধ অবস্থাতেই।
তবে অমলেট তুলনামূলকভাবে বৈচিত্রপূর্ণ পদ্ধতিতে রান্না করা যায়। তবে অতিরিক্ত তেল, মাখন বা চিজ যোগ করলে অমলেটের পুষ্টিগুণ নষ্ট হতে পারে। আবার সব্জি যোগ করলে বাড়তে পারে এর খাদ্যগুণ।
অমলেটে নানা উপকরণ যোগ হয়। তাই ডিমসিদ্ধর তুলনায় প্রোটিন ও পুষ্টিগুণ বেশি। কিন্তু হাই ক্যালরি ফিলিং-এর জন্য
ক্যালরি ও স্যাচিওরেটেড ফ্যাটও বাড়তে পারে অমলেটে।
অনেকেই আবার ডিমের কুসুমের ফ্যাট নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকেন। এতে কোনো সমস্যা নয় বরং শরীরে ফ্যাটের চাহিদা পূর্ণ হয়। তবে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বেশি থাকলে ডিমের কুসুম না খাওয়াটাই উত্তম। এ সমস্যা না থাকলে যে কেউ ডিমের এই অংশ নির্দ্বিধায় খেতে পারেন।







