গতকালই বনমন্ত্রী জ্যেতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের অরণ্যভবনে ইডি হানা দিয়েছিল। এমনকি বনদপ্তরে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন আধিকারিকরা। বনদপ্তরের অফিসটি ঘিরে ফেলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীতে।
আর আজ ফের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা কুন্তল ঘোষ ও মন্ত্রী পার্থর মধ্যে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্যতম মিডলম্যান অর্থাৎ পার্থ সরকার ওরফে ভজার বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য ইডির হাতে এসেছে। আজ সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ভজাকে ইডির দফতরে হাজির হতে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এমনকি, গত ১২ বছরের তাঁর সমস্ত সম্পত্তি এবং ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের সমস্ত নথি সমেত ভজাকে তলব করা হয়েছে।
কলকাতা পুরসভার গত নির্বাচনে পার্থর সুপারিশেই তিনি ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডে মনোনয়ন পেয়ে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। ইডি সূত্রের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অযোগ্য প্রার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সম্প্রতি সেই পার্থ সরকার ওরফে ভজার বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য সামনে এসেছে, এমনকি প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় এর আগে ভজাকে একাধিক বার তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।
তদন্তকারীদের দাবি, “অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা এবং কয়েক কোটি টাকা ভজার মাধ্যমেই পার্থর কাছে তিনি পৌঁছেছিলেন বলে জেরায় কুন্তল কবুল করেছেন।”
এদিকে, ইডির অভিযোগ, নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর সঙ্গেও ভজার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। সূত্রের খবর, বিরোধী নেতা থাকাকালীন পার্থর মালিকানাধীন মিনিবাসের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয় দেখাশোনা করতেন ভজা। এ দিন তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে পাঠানো বার্তারও জবাব দেননি তিনি।







