অবিরাম বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ায় সাময়িকের জন্য স্থগিত করা হয়েছে কেদারনাথ যাত্রা। একটানা বৃষ্টিপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, গাড়োয়াল কমিশনার আনন্দ স্বরূপ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেদারনাথ যাত্রা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, এই কথার ওপর জোর দিয়ে তিনি আধিকারিকদের সমস্ত প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবহাওয়ার উন্নতি হলে এবং যাত্রাটি নিরাপদ বলে বিবেচিত হলে তা পুনরায় শুরু হবে। আপাতত কেদারনাথ যাত্রা স্থগিত থাকছে বলেই স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির কারণে বদ্রীনাথ ও হেমকুন্ড সাহিব যাত্রাও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে; পথ নিরাপদ ঘোষণা না করা পর্যন্ত তীর্থযাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। শ্রীনগর (গাড়োয়াল)-এর তহসিলদার দীপক ভান্ডারি বলেন, “চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আজ তীর্থযাত্রা স্থগিত করা হয়েছে, কারণ রুদ্রপ্রয়াগ এবং চামোলিতে ভারী বৃষ্টির ফলে যাত্রা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা এখানে তীর্থযাত্রীদের যে কোনও সমস্যা, যেমন-যথাযথ স্যানিটেশন সুবিধা এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করার জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। আমরা খাবারের প্যাকেটেরও অর্ডার দিয়েছি, যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। আমাদের দল অক্লান্তভাবে কাজ করছে যাতে পুণ্যার্থীদের কোনও অসুবিধা না হয়। এটি একটি অস্থায়ী সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা।
এই প্রতিবেদনটি অন্যরকম করে একটা নিউজ করে দাও ফটো ছাড়া
দুর্যোগের জেরে থমকাল চারধাম যাত্রা, সাময়িকভাবে বন্ধ কেদারনাথ-বদ্রীনাথের পথ
উত্তরাখণ্ডে টানা বৃষ্টিপাত এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চারধাম যাত্রায় বড়সড় প্রভাব পড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রশাসন সাময়িকভাবে কেদারনাথ, বদ্রীনাথ এবং হেমকুন্ড সাহিবের তীর্থযাত্রা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে রুদ্রপ্রয়াগ ও চামোলি জেলায় ভারী বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তীর্থযাত্রীদের যাত্রা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
গাড়োয়াল বিভাগের কমিশনার আনন্দ স্বরূপ জানিয়েছেন, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তাই প্রশাসনের প্রথম অগ্রাধিকার। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং রাস্তাঘাট নিরাপদ বলে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যাত্রা পুনরায় চালু করা হবে না।
এদিকে, যাত্রা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পথে আটকে পড়া পুণ্যার্থীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পানীয় জল, স্যানিটেশন পরিষেবা এবং খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও খাবারের প্যাকেটও মজুত রাখা হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, এটি শুধুমাত্র সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। আবহাওয়ার উন্নতি হলেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চারধাম যাত্রা পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত তীর্থযাত্রীদের ধৈর্য ধরার এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার আবেদন জানানো হয়েছে।







